মঙ্গল গ্রহ কি তবে সক্রিয়! মঙ্গলে ‘পাথরের চলন’ দেখে আশ্চর্য বিজ্ঞানীরা!

লালগ্রহে গড়িয়ে গড়িয়ে চলেছে নানা মাপের পাথর।যার ফলে মাটিতে তৈরি হয়েছে V আকৃতির রেখা।কিন্তু কেন? কি বলছেন বিজ্ঞানীরা?

বড় বড় পাথর নড়েচড়ে বেড়াচ্ছে মঙ্গলপৃষ্ঠে। দেখে আশ্চর্য বিজ্ঞানীরা! তাঁরা বলছেন, লালগ্রহ এখন জীবন্ত!

সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহের মাটিতে লাল রংয়ের বড় বড় কিছু পাথরকে গড়িয়ে গড়িয়ে চলতে দেখা গেছে। আহমেদাবাদের ‘দ্য ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি’র বিজ্ঞানীরা মঙ্গল এর মাটিতে নড়তে-চড়তে থাকা পাথরখণ্ড দেখে একইসঙ্গে বিস্মিত ও আশান্বিত। তাঁদের একাংশের প্রাথমিক অনুমান, লালগ্রহে মানব-প্রেরিত রোভার ইত্যাদি যন্ত্রের চলাচলের কারণে নড়েচড়ে যেতেই পারে মঙ্গলপৃষ্ঠের পাথরখণ্ড। তবে তাঁদের সার্বিক সিদ্ধান্ত যে – এর পিছনে রয়েছে স্বাভাবিক প্রাকৃতিক শক্তি।

মানুষের অনেক দিন ধরেই ভাবনায় রয়েছে যে, কোনও একদিন তারা মঙ্গলে বসতি গড়বে, লালগ্রহ হবে বিশ্ববাসীর ‘সেকেন্ড হোম’ । সেই ভাবনা এর ফলে আরও পোক্ত হতে চলেছে বলেই তাঁদের মত । তবে সাম্প্রতিক সময়ে মঙ্গলে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্পও হয়েছে। তার কারণেও কোথাও কোথাও এই ওলট-পালটের চিহ্ন তৈরি হতে পারে। আহমেদাবাদের ‘দ্য ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি’র বিজ্ঞানী এই সূত্রে ড. এস বিজয়ন জানান, মঙ্গল এখন সক্রিয়!

যখন ভারী পাথর সচল হয়ে গড়িয়ে চলে, তখন স্বাভাবিক ভাবেই তার প্রত্যেক আঘাতে মঙ্গলপৃষ্ঠ এর উপরের নরম মাটির স্তর, (রেগলিথ) এর উপর দাগ পড়ে।

এবারে যেমন মঙ্গলপৃষ্ঠে ‘V’ আকৃতির একটা রেখা দেখা গিয়েছে। প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা জুড়ে ৪,৫০০ এরকম রেখা ধরা পড়েছে। বিজ্ঞানীরা ওই ট্র্যাকগুলির প্রসঙ্গে বলেছেন, এর অর্থ, সম্প্রতি গ্রহটি প্রাণ ফিরে পেয়েছিল। মঙ্গলের যে-অংশে এগুলি ধরা পড়েছে, তার নাম ‘সারবিরাস ফসা’।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গলগাত্রে এরকম অনেক দাগ ধরা পড়ে। কিছু দাগ তো কয়েক দশকের পুরনো। কিছু দাগ মুছে যায়। নতুন দাগ তৈরি হয়। এই ট্র্যাক দেখে বোঝা গিয়েছে, এগুলি সম্প্রতিক। 

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান