ভারতের রেলের দীর্ঘতম টানেল(T-49-এর)-এর সংযুক্তিকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে! নিজেদের এই সাফল্যে উচ্ছসিত ভারতীয় রেল!

ভারতের রেলের (Indian Railways) দীর্ঘতম টানেল(T-49-এর)-এর সংযুক্তিকরণ অবশেষে সমাপ্ত হয়েছে। বহুদিনের আকাঙ্খার ফল মিলেছে এতদিন পরে। উধমপুর-শ্রীনগর-বারামুল্লা রেল লিঙ্কের কাটরা-বানিহাল সেকশনের সাম্বার (Sumber) এবং আরপিনচালা (Arpinchala station) স্টেশনের মধ্যে সংযুক্তিকরণের যে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল, তা সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে।

উত্তর রেলওয়েকে জানানো হয়েছে কাটরা বানিহালের মধ্যে 111 কিলোমিটারের মধ্যবর্তী প্রসারণের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে, রেলওয়ে জানিয়েছে।


উধমপুর শ্রীনগর বারামুল্লা রেল প্রকল্পটির কাজ ছিল 272 কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মধ্যে। তার মধ্যে 161 কিলোমিটার ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে। একইসাথে কাটরা বানিহালের মধ্যে 111 কিলোমিটারের মধ্যবর্তী প্রসারণের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে, যা কয়েক মাসের মধ্যেই সমাপ্ত হবে।


তবে ভারতের সর্ববৃহৎ টানেলের কাজ সমাপ্তির পর উত্তর রেলওয়ে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, “চলমান কাটরা-বানিহাল সেকশনে সাম্বার এবং আরপিনচালা স্টেশনের মধ্যে টানেল T49-এর ব্রেক-থ্রু কার্যকর করার মাধ্যমে একটি বড় মাইলফলক অর্জন করা হয়েছে। এটি উল্লেখ করা সার্থক যে সুড়ঙ্গের লাইন এবং স্তরটি অবিকল ব্রেক-থ্রুতে অর্জিত হয়েছে।” ( “A major milestone has been achieved by executing break-through of Tunnel T49 between Sumber and Arpinchala Station on ongoing Katra-Banihal Section. It is worthwhile to mention that line and level of the tunnel is precisely achieved in break-through,”)


টানেল T-49-এর দক্ষিণ পোর্টাল জেলা মূল সদর দপ্তর থেকে 45 কিলোমিটার দূরে মনোরম সাম্বার গ্রামে অবস্থিত। আর উত্তর পোর্টাল 1400 মিটার উচ্চতায় জম্মু ও কাশ্মীরের রামবান জেলার তহসিল খারির আরপিনচালা গ্রামের কাছে অবস্থিত।



T-49 টানেলের মূলত দুটি টিউব রয়েছে। একটি মূল টানেল এবং অন্যটি এস্কেপ টানেল। টানেলটি এন এ টি এম বা নিউ অষ্ট্রিয়ান টানেলিং মেথড (New Austrian Tunneling Method) দ্বারা নির্মিত হয়েছে। এই পদ্ধতি অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির ফসল। একইসাথে এটি ড্রিল এবং ব্লাস্ট পদ্ধতির একটি আধুনিক কৌশল। টানেলের ক্রস-সেকশন প্রোফাইলটি পরিবর্তিত ঘোড়ার নালের আকৃতির। আর এই টানেলের দৈর্ঘ্য অনেক লম্বা।


এই টানেলটির মধ্যে 1 রুলিং গ্রেডিয়েন্ট রয়েছে। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, মূল টানেলের সমান্তরালে নির্মিত এস্কেপ টানেলটি উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারের কাজের সুবিধার্থে 375 মিটার ব্যবধানে ক্রস প্যাসেজ দ্বারা সংযুক্ত করা হয়েছে। এই সম্পূর্ণ নির্মাণকল্পটি আই আর সি ও এন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে অর্পণ করা হয়েছিল।


রেলওয়ের বক্তব্য অনুযায়ী এটি নির্মাণের সময় বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে। যেমন –শিলা চাপার সমস্যা, জলের উচ্চ প্রবেশ, শিয়ার জোন, পার্চড অ্যাকুইফার। তবে উত্তর রেলওয়ের অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারদের দল, IRCON এবং কার্যকরী সংস্থা HCC এবং AFCONS সফলভাবে সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছে। ফলে এই সাফল্যের ভাগীদার সকলেই।


এমনকি সবচেয়ে বড় বিষয় হল যে, টানেলের নির্মাণ চলাকালীন স্থানীয় জনগণকে বিভিন্ন কাজের জন্য এজেন্সি দ্বারা নিযুক্ত করা হয়েছিল, যা সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক ল্যান্ডস্কেপে পরিবর্তন এনেছে। স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইউক্রেনে চালু হয়েছে স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবা- এলন মাস্ক এই পরিষেবা কিভাবে সাহায্য করবে ইউক্রেনকে? জেনে নিন!

সমগ্র বিশ্ববাসীর কাছে ইউক্রেন (Ukraine) এবং রাশিয়া (Russia) এখন চর্চায় রয়েছে। রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের ঘটনা রীতিমতো ভয়ের সঞ্চার করছে বিশ্ববাসীর মনে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ (Third World War) যেন অলিখিতভাবে শুরু করে গেছে। রাশিয়া যেমন ইউক্রেনকে আক্রমণের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে, তেমনই রাশিয়ার আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যও নয়া পরিকল্পনা গ্রহণ করছে ইউক্রেন। সম্প্রতি যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ইউক্রেন স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবা (Starlink satellite broadband service) গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।



স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবা প্রেরণের বিষয়ে বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী (Billionaire businessman) এলন মাস্ক (Elon Musk) ইউক্রেনকে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে তাঁর কোম্পানি স্পেসএক্স (SpaceX’s) যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ইউক্রেনকে স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবা সরবরাহ করবে। এই প্রস্তাব সাদরে গ্রহণ করেছেন ইউক্রেনের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন মন্ত্রী (Ukrainian minister of digital transformation) মাইখাইলো ফেদোরভ (Mykhailo Fedorov) ।

মাইখাইলো ফেদোরভ এই প্রস্তাবটির বিষয়ে একটি টুইট করেছেন। যেখানে তিনি মাস্ককে ইউক্রেনে স্টারলিংক পরিষেবা প্রদানের জন্য অনুরোধ করেছেন। টুইটে তিনি বলেছেন– “যখন আপনি মঙ্গল গ্রহে উপনিবেশ করার চেষ্টা করছেন, রাশিয়া ইউক্রেন দখল করার চেষ্টা করছে! যখন আপনার রকেট সফলভাবে মহাকাশ থেকে অবতরণ করে, রাশিয়ান রকেট ইউক্রেনীয় নাগরিকদের আক্রমণ করে! আমরা আপনাকে ইউক্রেনকে স্টারলিঙ্ক স্টেশন সরবরাহ করতে বলছি। শুধু তাই নয়,প্রায় 10 ঘন্টা পরে মাস্ক প্রতিক্রিয়া হিসেবে জানিয়েছেন যে, “স্টারলিংক পরিষেবা এখন ইউক্রেনে সক্রিয়। অনেক রুটে ও টার্মিনালে এটি যোগ করা হচ্ছে।”


তবে জানেন কি স্পেসএক্সের স্টারলিঙ্ক ব্রডব্যান্ড পরিষেবা আসলে কী? কেন এটি ইউক্রেনে সক্রিয় করা হল এবং কীভাবে এটি রাশিয়ার সাথে তার বিরোধে ইউক্রেনকে সহায়তা করছে? জেনে নিন–

স্টারলিংক হল একটি নয়া ও অভিনব প্রযুক্তি। এটি আসলে একটি স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নক্ষত্রমণ্ডল, যা স্পেসএক্স দ্বারা পরিচালিত হয়। এটি পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট অ্যাক্সেস কভারেজ প্রদান করে থাকে। গবেষকরা বলছেন , 2021 সালের মধ্যে এই ইন্টারনেট নক্ষত্রমণ্ডলটি 1,700 টিরও বেশি উপগ্রহে পরিণত হয়েছে। 2022 সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিটা ইন্টারনেট পরিষেবা অফারটি পৃথিবীর প্রায় 29টি দেশে উপলব্ধ ছিল। 2018 সালের মে মাসে স্পেসএক্স নক্ষত্রমণ্ডলটির নকশা, নির্মাণ এবং স্থাপনের জন্য দশক-দীর্ঘ প্রকল্পের খরচ কমপক্ষে 10 বিলিয়ন হতে পারে বলে অনুমান করেছিলেন রেডমন্ড, ওয়াশিংটন স্পেশএক্স স্যাটেলাইট ডেভেলপমন্টের বিজ্ঞানীরা। এমনকি 2017 সালের নথি অনুযায়ী স্পেসএক্স তার স্যাটেলাইট নক্ষত্রমণ্ডল থেকে 2025 সালের মধ্যে 30 বিলিয়নেরও বেশি অর্থ আদায়ের আশা করে।


এই স্যাটেলাইটগুলি কিভাবে যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ইউক্রেনকে সাহায্য করবে? এটি সাধারণত প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে থাকে। যেগুলি ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মতো টেরিস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্কগুলির মাধ্যমে পৌঁছানো সম্ভব নয় বা সহজে পৌঁছানো যায়। কিন্তু এটি গ্রাউন্ড স্টেশনে ডেটা ফেরত না পাঠিয়ে স্যাটেলাইটগুলিকে কাজ করতে সক্ষম করে৷ এছাড়াও স্টারলিংক স্যাটেলাইটগুলি কম কক্ষপথে থাকে, তাই ব্যবহারকারী এবং উপগ্রহের মধ্যে রাউন্ড-ট্রিপ ডেটা টাইম জিওস্টেশনারি কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটের তুলনায় অনেক কম৷



তাই বলা যায় যে এটি রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে একটি যুগান্তকারী প্রযুক্তি হিসাবে কাজ করবে। কারণ এটি ইউক্রেনের দুর্যোগের পরিস্থিতিতে জরুরী প্রতিক্রিয়াকারীদের সহায়তা করবে এবং এর জন্যই স্টারলিংককে কয়েক মিনিটের মধ্যে স্থাপন করা যেতে পারে। আল জাজিরার (Al Jazeera) মতে, রুশ আগ্রাসনের ফলে ইউক্রেনে বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে ইন্টারনেট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু স্পেসএক্সের স্টারলিংক পরিষেবা এটির ব্যবহারকারীদের সাথে ডেটা প্রেরণ করতে সক্ষম। তাই কোনও গ্রাউন্ড স্টেশনের প্রয়োজন হয় না। তাই যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ইউক্রেনে এবং ইন্টারনেট ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় খুব শীঘ্রই খবর প্রেরণ করতে পারবে।

MRO র ছবিতে মঙ্গল পৃষ্ঠে বিরল গর্তের সন্ধান,নিরুত্তর NASA

MRO র চোখে হিমায়িত কার্বন ডাই অক্সাইড সমৃদ্ধ মঙ্গল পৃষ্ঠে একটি বিস্তীর্ণ বিরল গর্ত দেখা গেছে যা অন্য সকল গর্তের চেয়ে কিছুটা গভীর বলে মনে হয়েছে । যার ব্যাখ্যা দিতে পারেনি NASA

নিজস্ব প্রতিবেদন : Mars Reconnaissance Orbiter ( MRO ) হল একটি  মহাকাশযান যা মঙ্গল গ্রহের  ভূতত্ত্ব এবং জলবায়ু অধ্যয়ন করার জন্য, ভবিষ্যতের অবতরণ স্থানগুলির পুনরুদ্ধার প্রদান করতে এবং ভূপৃষ্ঠের মিশনগুলি থেকে পৃথিবীতে ফিরে ডেটা রিলে করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি 12 আগস্ট, 2005-এ উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এবং 10 মার্চ, 2006-এ মঙ্গল গ্রহে পৌঁছেছিল। নভেম্বর 2006 সালে, পাঁচ মাস অ্যারোব্রেকিংয়ের পর , এটি চূড়ান্ত কক্ষপথে প্রবেশ করে এবং প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করে। 

NASA-এর Mars Reconnaissance Orbiter (MRO) মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠে যা কিছু দেখেছে তার চোখ দিয়ে তা পৃথিবীতে পাঠিয়েছে। কিন্তু এবার মঙ্গল গ্রহের দক্ষিণ মেরুতে MRO এর নেওয়া একটি স্ন্যাপশট এমন কিছু বিরল ঘটনা প্রকাশ করেছে , যা NASA র বিজ্ঞানীরা এখনও পর্যন্ত ব্যাখ্যা করতে পারেননি।

লাল গ্রহের সমগ্র পৃষ্ঠটি অত্যন্ত উঁচু নিচু এবং গর্ত দ্বারা পরিপূর্ণ । হিমায়িত কার্বন ডাই অক্সাইড সমৃদ্ধ মঙ্গল পৃষ্ঠে একটি বিস্তীর্ণ গর্ত দেখা গেছে যা অন্য সকল গর্তের চেয়ে কিছুটা গভীর বলে মনে হয়েছে । গর্তটিকে নাসার ওয়েবসাইটে বর্ণনা করা হয়েছে , ” a vast pit spotted among the ‘Swiss cheese terrain’ of melting frozen carbon dioxide appeared to be a bit deeper than average hole ” বলে ।  সুইস পনিরের গর্তের সাথে তাদের মিল থেকেই এই নামকরণ করা হয়েছে । 

তবে দুঃখের বিষয় , জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এটি কীভাবে তৈরি হয়েছে এবং এর আকার খুঁজে বের করার চেষ্টা ভবিষ্যতের জন্য ছেড়ে দিয়েছেন। কারন এর সমাধান এর জন্য আরো বিস্তারিত অনুসন্ধান প্রয়োজন।আরও তথ্য ছাড়া, এটা বলা কঠিন, কিন্তু কোন সন্দেহ নেই যে NASA এখনও সম্ভাবনাগুলি কমিয়ে দিচ্ছে।

মঙ্গল গ্রহের পাথুরে ভূখণ্ডে যে গর্তগুলি রয়েছে তা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়েছে । যেমন , অর্ধ মিলিয়নেরও বেশি উল্কাপিণ্ড আছড়ে পড়ার কারণে গর্ত তৈরি হয়েছে ; আবার ধসে পড়া লাভা টিউব গভীর গর্ত তৈরি করেছে ; আবার আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এর কারণেও গর্ত তৈরি হয়েছে মঙ্গল পৃষ্ঠে।

মাঝে মাঝেই MRO এক একটি অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ছবি পাঠায় যার কারন অনুসন্ধান নানান রহস্যের জন্ম দেয় । যেমন,  এই অগভীর, বৃত্তাকার গর্ত যার ছবি তুলে পাঠিয়েছে MRO।

PIA21636 নিয়োগ দেয়
এই সেই গর্ত (চিত্র: সংগৃহিত)

যে সময় ছবিটি তোলা হয়েছে তখন , মঙ্গল গ্রহের দক্ষিণ মেরুতে গ্রীষ্মকাল হওয়ায়, ভুমিভাগে ছায়াকে অপসারিত করার জন্য আকাশে সূর্য এর আলো যথেষ্ট কম ছিল , যার ফলে ছবিটিতে সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্যগুলি সরাসরি ধরা পড়েছে । তবুও কয়েকটি আলোক রশ্মি গর্তের নীচে থাকা বরফ প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছে।

MRO এর তোলা ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে গর্তটির চারপাশে জমে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইডের ছোপ। বরফের বৃত্তগুলিকে দেখে মনে করা হয়েছিল সেখানে গ্রীষ্মের রোদে শুকনো বরফ গ্যাসে পরিণত হয়েছে , যাকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ” সুইস চিজ ভূখণ্ড “(Swiss cheese terrain) বলে অভিহিত করেছেন।

ছবিটি এমআরও-এর হাই রেজোলিউশন ইমেজিং সায়েন্স এক্সপেরিমেন্ট , বা হাইরাইজ ক্যামেরা ব্যবহার করে তোলা হয়েছে । এই ধরনের ক্যামেরা গবেষকদের মঙ্গল গ্রহের এমন কিছু বস্তু দেখতে সাহায্য করে , যা প্রায় 200 থেকে 400 কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে (প্রায় 125 থেকে 250 মাইল) প্রায় এক মিটার (প্রায় 3 ফুট) উপর থেকে তোলা হয়।

এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, গর্তটি ছোট নয় ; প্রতি পিক্সেল 50 সেন্টিমিটার (19.7 ইঞ্চি) এ, আমরা যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছি সেটি শত শত মিটার জুড়ে তৈরি ।

MRO মার্চ, 2006 সাল থেকে মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে রয়েছে, লাল গ্রহের পৃষ্ঠের বিশদ যে চিত্রগুলি সে পাঠায় তা একটি গতিশীল পরিবেশ প্রকাশ করে যেখানে দেখা যায় ধুলোর মেঘ (dust devils) , বালির টিলা (sand dunes crawl) নানান আকারের পাথর।

সমস্ত প্রাথমিক লক্ষ্য এবং দুটি মিশন এক্সটেনশন সম্পন্ন করার পর, অরবিটারটি এখনও শক্তিশালী হচ্ছে – আমরা আশা করতেই পারি , প্রায় নিশ্চিতভাবেই ভবিষ্যতে এরকম আরও বিজোড় গর্ত দেখতে পাব।

ছবিটির একটি হাই-রিস সংস্করণের ( hi-res version) জন্য NASA-এর ওয়েবসাইটে একবার দেখুন 👇👇👇

https://www.nasa.gov/

অবশেষে শাহরুখ খানের বলিউডে ফেরা! রিলিজ হল পাঠানের টিজার!

দীর্ঘ চারবছর পর বলিউডে (Bollywood) ফিরতে চলেছেন শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan)। তাঁর নতুন সিনেমার পাঠান ( Pathaan)। চেনা ছক ভেঁঙে একেবারে নতুন ধরনের লুকে দেখা যাবে সাহরুখ খানকে এই সিনেমাটিতে। ইতিমধ্যেই রিলিজ হয়েছে পাঠানের টিজার (teaser), যা দেখে বলিউড প্রেমীরা যথেষ্ট উৎসাহ প্রকাশ করেছেন।


ফিল্ম জগতের কিং খান হলেন শাহরুখ খান। স্ট্রাগলের যে কোনো বিকল্প হয় না, তা তিনি নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন। নিজ প্রতিভায় স্টার থেকে সুপারস্টার হয়ে উঠেছেন তিনি। দর্শকদের মনে একটি আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। তবে ২০১৮ সালের পর থেকে শাহরুখ খানকে অভিনয় জগতে তেমনভাবে দেখা নেই। তাঁর শেষ ছবি ‘জিরো’ বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পরেছিল আগেই। পরবর্তীতে তাঁর ছেলে আরিয়ান খান মাদক পাচারের দায়ে জেল হেফাজতে যাওয়াতে শাহরুখ খানের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে যথেষ্ট। এতদিন পর পাঠান ছবির মাধ্যমে শাহরুখ খানের পুনরায় ফিল্ম জগতে আগমনকে কেন্দ্র করে শাহরুখ ফ্যানদের আনন্দের সীমা নেই।

Pathan Movie star cast

পাঠান সিনেমাটি ইয়াস রাজ স্টুডিও-এর ব্যানারে তৈরি হচ্ছে। সিনেমাটির ডিরেক্টর সিদ্ধার্থ আনন্দ এবং প্রডিউসার আদিত্য চোপড়া। পাঠান সিনেমাতে শাহরুখ খান ছাড়াও বিখ্যাত তারকাদের দেখা যাবে। যেমন সিনেমাটিতে দীপিকা পাড়ুকোন, জন আব্রাহাম, আশুতোষ রানাকে দেখাকে যাবে তেমনভাবেই বলিউডের ভাইয়্যাযান সালমান খানকেও দেখা যাবে। সিনেমাটির টিজার দেখেই বোঝা যাচ্ছে এটি একটি অ্যাকশন ফিল্ম, যেখানে শাহরুখ খানকে স্পাইয়ের চরিত্রে দেখা যাবে। স্বয়ং শাহরুখ খান সিনেমাটির টিজারটি পোস্ট করে লিখেছেন– আমি জানি অনেক দেরি হয়ে গেছে…কিন্তু সময়টা মনে রাখবেন…পাঠানের সময় শুরু হল…২৫ শে জানুয়ারি,২০২৩ নাগাদ সিনেমাতে দেখা হবে আপনাদের সাথে। সিনেমাটি হিন্দি, তামিল,তেলেগুতে রিলিজ হতে চলেছে। (“I know it’s late… But remember the date… Pathaan time starts now…See you in cinemas on 25th January, 2023. Releasing in Hindi, Tamil and Telugu. Celebrate #Pathaan with #YRF50 only at a big screen near you.”)

Pathan Movie budgetপাঠান ছবিটির বাজেট নিয়ে কোনো অফিসিয়াল ঘোষণা হয়নি। তবে আন্দাজ করা যাচ্ছে যে এই সিনেমাটির বাজেট ২৫০ কোটি টাকা হতে পারে। তবে দর্শকদের মনে এখন সবচেয়ে বড়ো প্রশ্ন পাঠান সিনেমাটি বড় পর্দায় কবে দেখা যাবে? সিনেমাটি রিলিজের অফিসিয়াল তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে জানা গেছে যে সিনেমাটি ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস নাগাদ রিলিজ হতে চলেছে।

আসতে চলেছে করোনার চতুর্থ ঢেউ! কি বলছেন গবেষকরা?

বর্তমানে করোনার (Corona) তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা সামলে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে বিশ্ববাসী। তবে পুনরায় কি নতুনভাবে আসতে চলেছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট? নতুন ভ্যারিয়েন্ট কি শক্তিশালী হবে ? এই মুহূর্তে এইসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় সমগ্র বিশ্ববাসী। এরই মধ্যে কানপুর আইআইটির (Kanpur IIT) গবেষকরা চতুর্থ ঢেউয়ের আগাম সতর্কবাণী শোনালেন।


২০২০ সালে যখন ভারতে প্রথম করোনার ঢেউ আছড়ে পরে, তখন প্রথম দিকে মানুষ এই বিষয়ে গুরুত্ব না দিলেও পরে বুঝতে পেরেছিল করোনা সংক্রমণের কি ফল হতে পারে। সরকারি নিয়মনীতি, গৃহবন্দী দশা সবকিছু পেরিয়ে যখন মানুষ কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে যাবে, তখনই পুণরায় আছড়ে পরলো করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। তাও দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব সামলে ২০২১ সালের প্রায় শেষ দিক থেকে যখন সবাই আবার নতুন করে প্রাণ খুলে বাঁচার চেষ্টা শুরু করলো, তখন আবার নয়া স্ট্রেন ওমিক্রণের দাপট শুরু হয়েছিল। তবে বর্তমানে ওমিক্রণের দ্রুত সম্প্রসারণ বন্ধ হয়েছে। কিন্তু আবারও আসতে চলেছে করোনার চতুর্থ ভ্যারিয়েন্ট।



গবেষকরা আগেই জানিয়েছিলেন আলফা, বিটা, গামা এবং ডেল্টার পর করোনার আরও একটি নয়া প্রজাতি সামনে আসতে পারে। এর ভয়াবহতা কতটা হবে তা এই মুহূর্তে তেমনভাবে বলা না গেলেও নয়া প্রজাতির প্রভাব অন্ততঃ চার মাস থাকতে পারে। তবে নতুন রূপটি বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ আকার ধারণ নাও করতে পারে। আসলে এই চতুর্থ কোভিড ঢেউয়ের তীব্রতা সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করবে নতুন রূপের আবির্ভাব এবং টিকার ওপর।

করোনার নতুন প্রজাতির সাথে মোকাবিলা করার জন্য টিকাকরণ ও বুস্টার ডোজের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা উচিত। গতবছর জানুয়ারি মাসে টিকাকরণ পক্রিয়া শুরু হয়েছিল। প্রথমে স্বাস্থ্য কর্মী ও জরুরি পরিষেবার সাথে যুক্ত ব্যাক্তিদের এবং পরবর্তীতে ষাটোর্ধ্ব ব্যাক্তি থেকে শুরু করে বয়সের ক্রম অনুযায়ী টিকাকরণ পক্রিয়া শুরু হয়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী গত মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারতে মোট ১৭৭.৬৭ কোটিরও বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও সম্প্রতি বুস্টার ডোজ দেওয়াও শুরু হয়েছে। তবে এখনও বিশ্বের বহু দেশের বহু মানুষের সম্পূর্ণ টীকাকরণ হয়নি। ফলে তাদের যাতে দ্রুত টিকাকরণ পক্রিয়া সম্পূর্ণ করা যায় সেই বিষয়ে নজর দিচ্ছে ভারত সরকার। কারণ টিকাকরণ সম্পূর্ণ না হলে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের সাথে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।

বিশ্বের সর্বোচ্চ রেডিও স্টেশন এখন ভারতে

লাদাখ এর কার্গিলের হোমবোটিঙলায় স্থাপিত হল বিশ্বের সর্বোচ্চ প্রসার ভারতী রেডিও ও টিভি ষ্টেশন।

এটির উচ্চতা ১৩ হাজার ৫০০ ফুট। বিশ্বে আর কোথাও এত উচ্চতায় রেডিও স্টেশন নেই।

উল্লেখ্য, প্রসার ভারতী ভারতের সরকারি বেতার ও টিভি সম্প্রচার সংস্থা।

চিত্র সৌজন্যে : প্রসার ভারতী

সবুজের মাঝেও তাহেরপুর বামের,দার্জিলিং দখল হামরো পার্টির

ঠিক এক বছর আগেই বিপুল আশা জাগিয়ে বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখেছিল তাঁরা। বাংলা জুড়ে স্লোগান উঠেছিল, ‘ইস বার, দোশো পার’। সেই স্বপ্ন যদিও দিনের আলো দেখেনি , ভেসে গিয়েছিল গঙ্গার স্রোতে। মাত্র ৭৭ ই থেমে গিয়েছিল রথ।

বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে একক ভাবে উঠে এসেছিল বিজেপি। এই প্রথম বার বাম ও কংগ্রেসের স্থান শূন্য হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় । ফলে লড়াইটা হওয়ার কথা ছিল শাসক তৃণমূল বনাম বিরোধী বিজেপির মধ্যে। কিন্ত গত এক বছরে ক্রমশ শক্তি ক্ষয় হয়েছে বিজেপির। যত দিন যাচ্ছে, বিজেপির অস্তিত্ব কার্যত প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

আর এই অবসরে ফের যেন বিরোধী পরিসরে মাথা তুলছে বামেরা। বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই বিভিন্ন জায়গায় এই প্রবণতা দেখা গিয়েছিল, যা বজায় রইল পশ্চিমবঙ্গের ১০৮ পুরভোটের ফলাফলেও। ফলাফলের ভিত্তিতে মাত্ৰ একটি পৌরসভা দখল করলেও অধিকাংশ জায়গাতেই দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাম।

উত্তরে পাহাড় থেকে শুরু করে দক্ষিণে বালুমাটি সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত বঙ্গের মোট ১০৮টি পুরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত রবিবার। দীর্ঘদিন আগে মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও করোনা কালে পুরসভাগুলিতে প্রশাসক বসিয়ে কাজ চালানো হচ্ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল এই পুরসভাগুলিতে। ভোটের দিন বেশ কিছু জায়গা থেকে উঠে আসে অশান্তির ছবি। বেশ কিছু জায়গায় বিরোধী দলের তরফে ছাপ্পার অভিযোগ জমা হয় । সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব হয় বিজেপি। সোমবার এর প্রতিবাদে ১২ ঘন্টা বাংলা বন্ধও পালন করে বিজেপি ।কিন্তু যেভাবে তাহেরপুরে বামেরা কিংবা দার্জিলিং হামরো পার্টি নিজেদের দখলে রাখল, সেখানে বিজেপি-র পতনের জন্য শুধুই কি সন্ত্রাসই দায়ী, প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

রাজ্যজুড়ে সবুজ ঝড়ের মধ্যেই তাহেরপুর পুরসভা পুনরায় দখল করল বামেরা। এই পুরসভায় ৮টি ওয়ার্ডে বামফ্রন্ট এবং পাঁচটিতে তৃণমূল জয়ী হয়েছে ।

এদিকে, মাত্র ছ’ মাস আগে গঠিত হওয়া হামরো পার্টি (Hamro Party) দখল করল দার্জিলিং (Darjeeling) পুরসভা৷ গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা, জিএনএলএফ, তৃণমূলের মতো প্রধান দলগুলিকে পিছনে ফেলে দার্জিলিং পুরসভা দখল করে নিল অজয় এডওয়ার্ডের (Ajay Edward) নতুন রাজনৈতিক দল৷ যদিও অজয় এডওয়ার্ডের নিজে পরাজিত হয়েছেন । আর যে দার্জিলিং নিয়ে এতদিন পাহাড়ে নিজেদের ক্ষমতার বড়াই করত বিজেপি, সেই দার্জিলিং পুরসভায় খাতাই খুলতে পারল না বিজেপি-জিএনএলএফ জোট৷ পাহাড়ের সাংসদ, বিধায়ক সবই বিজেপি-র। আর সেখানেই কিনা বিজেপি খাতাই খুলতে পারল না। তবে, দু’টি আসনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল৷ শুধু দার্জিলিং নয় , গোটা উত্তর বঙ্গেই বিধানসভা নির্বাচনের নিরিখে ব্যাপক শক্তি ক্ষয় হয়েছে বিজেপির।

আবার, বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের গড় বলে পরিচিত ভাটপাড়ায় বিজেপির প্রভাব বিলীন হয়ে গেল। ভাটপাড়া পুরসভা দখল করে নিল তৃণমূল। ভাটপাড়ার ৩৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১ আসনে প্রার্থীর মৃত্যুর জন্য ভোট হয়নি। কিন্তু ৩২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩০টি ওয়ার্ড দখল করেছে তৃণমূল। ২০১৯ সালের লোকসভার পরে তৃণমূল কাউন্সিলরদের দলে টেনে যে সাতটি পুরসভার দখল নিয়েছিল বিজেপি , তার মধ্যে ছিল ভাটপাড়াও। তবে ধীরে ধীরে সব ক’টিই হাতছাড়া হয়েছিল তাদের। ভাটপাড়া পুরসভার ৩৪ সদস্যর মধ্যে ১৯ জন তৃণমূল কাউন্সিলর ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের পর যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি-তে। এর পরে আরও কয়েক জন গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেও জুন মাসে দেখা যায়, বিজেপি-র দিকে রয়েছেন ২৬ জন সদস্য। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁদের মধ্যে থেকে ১২ জন কাউন্সিলর তৃণমূলে ফিরে আসেন। ফলে ক্ষমতা ফিরে পায় তৃণমূলই।

এদিকে, ক্রমেই ক্ষয়িষ্ণু হতে-হতে ফের ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বামেরা। তাহেরপুর পুরসভা দখল করাই শুধু নয়, বিধানসভা ভোটের পর থেকে যা ভোট হচ্ছে, সবেতেই দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে বামেরা। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই যে প্রশ্নটি মাথাচাড়া দিচ্ছে, তাহলে কি ফের মুখোমুখি তৃণমূল ও বাম। বিজেপি কি ক্রমেই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে বঙ্গ রাজনীতিতে?

ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের জন্য হেল্পডেস্ক

ইউক্রেনের উপ প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে ত্রাতা হয়ে এলেন ইলন মাস্ক, ইউক্রেনে চালু স্টারলিংক এর ব্রডব্যান্ড

পৃথিবীর সর্বত্র স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবা (Starlink) পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে ইলন মাস্কের (Elon Musk)। বর্তমানে তাঁর সংস্থার ২ হাজারের বেশি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

  • ইউক্রেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী মাইখাইলো ফেডোরভ স্টারলিংক ব্রডব্যান্ড পরিষেবা সক্রিয় করার জন্য টুইটারের মাধ্যমে মাস্ককে অনুরোধ করেছিলেন।
  • রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় আগ্রাসন শুরু করার পর ইউক্রেন সরকারের পক্ষ থেকে এই আবেদন আসে।
  • স্টারলিঙ্ক 2000 টিরও বেশি স্যাটেলাইটের সমষ্টি সহ সারা বিশ্বে উচ্চ-গতির, কম লেটেন্সি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সরবরাহ করে।

নিজস্ব প্রতিবেদন : দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাই লড়ছে মরিয়া ইউক্রেন (Russia Ukraine War) । আর কাটাছেঁড়া চলছে আমেরিকা ও ন্যাটোর ভূমিকা নিয়ে। কারনেই এই অসম যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে ইউক্রেন। তার মধ্যেই নজিরবিহীন পদক্ষেপ ‘স্পেসএক্স’ (Space X) সিইও ইলন মাস্ক (Elon Musk) এর । রাশিয়ার বোমা, গুলি, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে ইউক্রেন-সহ পূর্ব ইউরোপের একাধিক দেশে । গুঁড়িয়ে গিয়েছে টাওয়ার , কেবল , এক্সচেঞ্জসহ ইন্টারনেট সংযোগ এর যাবতীয় সরঞ্জাম। এছাড়াও , রুশ হ্যাকাররা হানা দিয়েছে ইউক্রেনের সরকারি ওয়েবসাইট গুলোতে। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের অনুরোধে ইলন মাস্কের সংস্থা স্টারলিংক(Starlink) স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করলো ইউক্রেন সহ পুর্ব ইউরোপে।

যুদ্ধে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে ইউক্রেনের। বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে ইন্টারনেট সংযোগ। এই পরিস্থিতিতে শনিবার টুইটারে ইলন মাস্কের সাহায্য চেয়েছিলেন ইউক্রেনের উপ প্রধানমন্ত্রী মিখাইলো ফেদরভ (Mykhailo Fedorov)। টুইটারে মাস্ককে ট্যাগ করে তিনি লেখেন, “মঙ্গল গ্রহে উপনিবেশ গড়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন আপনি। আর, ইউক্রেন দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে রাশিয়া। আপনার রকেটের সফল অবতরণ যেমন হচ্ছে , তেমনই রাশিয়ার রকেট আছড়ে পড়ছে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের উপর। আমরা আপনাকে ইউক্রেনে স্টারলিঙ্ক স্টেশন সরবরাহ করতে এবং শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন রাশিয়ানদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ করছি।”

Russia Ukraine War: রাশিয়ার শান্তি বৈঠকের ডাক ফেরালেন জেলেনস্কি, রুশ সেনা কনভয় 'পিষে' দিল ইউক্রেন
সৌজন্যে:ইন্টারনেট

আর এই অনুরোধের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইউক্রেনের জন্য নিজের (Starlink) সংস্থার স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালুর কথা ঘোষণা করলেন মাস্ক। অপটিক ফাইবার কেবল এবং টাওয়ার ছাড়াই এই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন সম্ভব। ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে মাস্কের সংস্থার স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড সেখানে নির্বিঘ্নে পরিষেবা দিতে সম্ভব। এই বিপর্যয়ের সময় যা অত্যন্ত কার্যকর। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের জন্য এ বার সেই পরিষেবা চালু করে দিলেন মাস্ক।

ইলন মাস্ক আরো জানিয়েছেন , পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে যাতে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকে , তার জন্য খুব শীঘ্রই তাঁর সংস্থা আরও কৃত্রিম উপগ্রহ ছাড়বে ।

সারা বিশ্বে স্টারলিংক এর স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে মাস্কের। বর্তমানে সংস্থাটির ২ হাজারের বেশি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে রয়েছে। সম্প্রতি টোঙ্গা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ঢেকে যাওয়া টোঙ্গাকেও ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করেছিল মাস্কের ‘স্পেসএক্স’ সংস্থা। তাদের ইন্টারনেট সংযোগ এর মাধ্যমে বিপর্যস্ত অঞ্চলে ভিডিয়ো কল, ওয়েব কল, অনলাইন গেম, মিডিয়া সম্প্রচার চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।

সৌজন্যে:টুইটার

দেশ বাঁচাতে ৮০ বছর বয়সে সেনায় যোগ, যুদ্ধে নামার বার্তা জেলেনস্কি র

আশির দোরগোড়ায় দাঁড়ানো এক ইউক্রেনীয় বৃদ্ধ দেশের সঙ্কটে দেশের পাশে দাঁড়াতে সেনায় যোগ দিতে এগিয়ে এসেছেন।অস্ত্রহাতে যুদ্ধে নামার বার্তা ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট এর।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাশিয়ার ইউক্রেন দখল কার্যত সময়ের অপেক্ষা । মরণপণ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন সেনা । এমতাবস্থায় গতকালই এক আবেগঘন বার্তায় ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রুশ আগ্রাসন ঠেকাতে দেশ বাসীকে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বলেছেন। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে আশির দোরগোড়ায় দাঁড়ানো এক ইউক্রেনীয় বৃদ্ধ দেশের সঙ্কটে দেশের পাশে দাঁড়াতে , হাতে একটি স্যুটকেস নিয়ে সোজা হাজির হন ইউক্রেনীয় সেনা বাহিনীর (Ukrainian army) ছাউনিতে। রাশিয়ার (Russia) বিরুদ্ধে দেশের হয়ে যুদ্ধ করবেন তিনিও। অসমর্থ দুটো হাতে বন্দুক তুলে দেশের শত্রুর চোখে চোখ রাখতে পিছপা নন তিনি। আর এই ছবিই ভাইরাল সমাজ মাধ্যমে। 

শুক্রবার ছবিটি শেয়ার করেছেন ইউক্রেনের প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি কাতেরিনা মাইখাইলিভনা ইউশচেঙ্কো (Kateryna Mykhaylivna Yushchenko)। এই ছবিটি শেয়ার করার পর তিনি টুইটার ক্যাপশনে লিখেছেন, “কেউ একজন ৮০ বছরের এই বৃদ্ধের ছবি পোস্ট করেছেন। যিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে গিয়েছেন এবং তার সঙ্গে রয়েছে একটি ছোট স্যুটকেস। যাতে ২ টি-শার্ট, এক জোড়া অতিরিক্ত ট্রাউজার, একটি টুথব্রাশ এবং দুপুরের খাবারের জন্য কয়েকটি স্যান্ডউইচ রয়েছে৷  তিনি বলেছিলেন যে তিনি এটা তার নাতি-নাতনিদের জন্য করছেন।”

একের পর এক অঞ্চল দখল করে রুশ বাহিনী রাজধানী কিভে ঢুকে পড়েছে।রাজধানী বাঁচানোর তীব্র চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনা। আমেরিকা , ব্রিটেন বা ন্যাটো পাশে থাকার কথা বললেও কেউই সরাসরি ইউক্রেনকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি। তারা শুধুমাত্র রাশিয়ার উপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেই দায় সেরেছে। সীমিত শক্তি নিয়ে একাই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন। অন্যদিকে রাশিয়াতে সাধারণ মানুষ যুদ্ধ বিরোধী বার্তা দিয়ে পুতিনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

তিনদিক থেকে ইউক্রেনে হানা রাশিয়ার চিত্র সৌজন্যে : আনন্দ বাজার পত্রিকা

এদিকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব এর ভোটাভুটিতে এগারো দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। ভোটদানে বিরত ছিল ভারত,চীন ও সংযুক্ত আরব আমিরাশাহী(UAE)। প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করে রাশিয়া। ফলে প্রস্তাব টি বাতিল হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে দেশ ছেড়ে বের করে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিলেও , তা ফিরিয়ে দিয়েছেন জেলেনস্কি। ইউক্রেন সেনার পাশে দাঁড়িয়ে এবার তিনিও অস্ত্রহাতে যুদ্ধে নামার বার্তা দিয়েছেন। কোনো ভাবেই দেশকে রাশিয়ার হাতে তুলে দিতে নারাজ জেলেনস্কি।

চিত্র:সংগৃহিত

সৌজন্যে : টুইটার

ইউক্রেন আক্রমণকারী রুশ ট্যাঙ্কে কেন ‘Z’ লেখা

দেড় দিন অতিক্রান্ত। যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ নেই। একের পর এক রুশ মিসাইলের আঘাতে জ্বলছে ইউক্রেন।অন্য দিকে, রুশ ট্যাঙ্ক এ Z চিহ্ন কিসের জন্য?

Z চিহ্নিত রুশ ট্যাঙ্ক

নিজস্ব প্রতিবেদন : ইতিমধ্যেই সমস্ত জল্পনা, পশ্চিমী হুঁশিয়ারিকে অগ্রাহ্য করে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সামরিক অভিযান (Russia ukrene conflict)শুরু করেছে রাশিয়া। ডানবাস , ক্রিমিয়া , কৃষ্ণসাগর উপকুল দিয়ে ইউক্রেনে ঢুকেছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের আকাশে ঘন ঘন রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ছে। স্থলপথে ইউক্রেনের ভিতরে প্রবেশ করেছে রাশিয়ার ট্যাঙ্ক।

এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা বাহিনীর দাবি, অনেক দিন আগে থেকেই ইউক্রেন আক্রমনের প্রস্তুতি নিয়েছে রাশিয়া। এর পক্ষে প্রমান হিসেবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সামনে এনেছে একাধিক উপগ্রহ চিত্র। সেখানে দেখা যাচ্ছে রাশিয়ার যে ট্যাংক গুলি বেলারুশের সঙ্গে মহড়ায় অংশ নিয়েছিল , সেগুলিকেই ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে রাশিয়ার সেনা।

রাশিয়া যে অনেক দিন আগে থেকেই তিনদিক থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান এর পরিকল্পনা করছে তার প্রমান রাশিয়ার ট্যাংক গুলিতে Z অক্ষর লেখা(Russia ukrene conflict)। প্রত্যেকটি সেনাবাহিনীরই নিজস্ব কিছু গোপন কোড থাকে। এক্ষেত্রেও Z কোনো সাংকেতিক চিহ্ন।কিন্তু রহস্য অন্য জায়গায়।

ইউক্রেনের তিনদিকেই রাশিয়ার সীমানা। শুধু মাত্র পশ্চিমদিকে পোল্যান্ড সীমানাই বর্তমানে ইউক্রেনের জোরের জায়গা। আর রাশিয়া পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ তিন দিক দিয়েই আকাশ ও স্থলপথে ইউক্রেনের অভ্যন্তরে ঢুকেছে। বিভিন্ন দিক থেকে অগ্রসর হওয়ার ফলে যেকোনো সময় ভুলবশত দুটি রুশ ট্যাংক মুখোমুখি হয়ে যেতে পারে। আর সেটি এড়ানোর জন্য একটি পুরোনো সামরিক কৌশল অবলম্বন করেছে রাশিয়া(Russia ukrene conflict)

এর আগে উপসাগরীয় যুদ্ধে ব্রিটেন ও আমেরিকার ট্যাংক যাতে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত না হয় তাই ট্যাংক গুলির গায়ে বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন দেওয়া হয়েছিল। এবারে রাশিয়া আগে থেকেই চতুর্দিক থেকে ইউক্রেন আক্রমনের প্রস্তুতি নিয়েছে , ফলে ভুলবশত নিজেদের ট্যাঙ্ক গুলি যাতে মুখোমুখি না হয়ে যায় তাই রুশ ট্যাঙ্কের গায়ে দেওয়া হয়েছে Z চিহ্ন।

রাশিয়া মুখে যতই বলুক ইউক্রেন দখলের পরিকল্পনা তাদের নেই , এই Z চিহ্নই প্রমাণ দিচ্ছে রাশিযা গভীর পরিকল্পনা করেই যুদ্ধে নেমেছে।

রুশ ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে , ভারতে বাড়তে পারে নানা পণ্যের দাম

যুদ্ধের কারনে বিশ্ব বাজারে ধস।বাড়ল সোনা – অপরিশোধিত তেল সহ বিভিন্ন পণ্যের।

নিজস্ব প্রতিবেদন : ইউক্রেন- রাশিয়া যুদ্ধের ফলে বিশ্ব অর্থনীতি তে চরম ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিশ্ব জুড়ে অস্থির শেয়ার মার্কেট এবং অপরিশোধিত তেলের দাম । যদিও ভারত এখনও কোনও পক্ষেই অবস্থান নেয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও দেশে আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে বিভিন্ন জিনিসের দাম। এর মধ্যে রয়েছে অপরিশোধিত তেলে, সোনা , সূর্যমুখী তেল, গম , LPG দাম , কয়লা , তামা , পেট্রোপন্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিস।

ইউএস এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (US Energy Information Administration) এর তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালে, রাশিয়া ছিল তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ । প্রতিদিন আনুমানিক ১০.৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন করা হত। যুদ্ধের ফলে, অপরিশোধিত তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেলে দাম দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। যুদ্ধের ইঙ্গিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম গত আট বছরের সমস্ত অতীত রেকর্ড ভেঙে নয়া জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে । Brent Crude Oil-এর দাম পৌঁছে গিয়েছে 101.90 ডলার প্রতি ব্যারেলে। পাশাপাশি WTI Crude Oil-এর দাম পৌঁছে গিয়েছে ব্যারেল প্রতি 96.21 ডলারে।

ভারত যেহেতু তার জ্বালানি তেলের মোট চাহিদার প্রায় ৮৬ শতাংশ অপরিশোধিত তেল হিসেবে আমদানি করেতাই এই সংকটের সময়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলির মধ্যে একটি হতে চলেছে ভারত। ভারতে এক লাফে কয়েকগুন বাড়তে চলেছে আমদানি খরচ। আমদানি খরচ সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেলে তার প্রভাব পরবে মুদ্রাস্ফীতিতে , যা বৃদ্ধি করবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্র এর দাম।

এছাড়াও ভারতের সূর্যমুখী তেলের মোট চাহিদার ৭০ শতাংশই আসে ইউক্রেন থেকে। এই তেলের দাম বাড়লে ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধির সমূহ সম্ভাবনা । এছাড়াও অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেলে বাড়বে LPG এবং কেরসিন তেলের দাম। 

সোনার দাম সর্বকালীন উচ্চতায় পৌঁছে গেছে । রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান এর ঘোষণা করার পরেই আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম গত নয় মাসের মধ্যে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। এদিন ১০ গ্রাম পাকা সোনার দাম বেড়েছে ২২৫০ টাকা।

কয়লার দাম বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ বাড়বে, যার ফলে বিদ্যুত মাসুল বৃদ্ধি পাবে।

ভারতের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গম। এই যুদ্ধের ফলে গমের দামে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয়ই দেশই বিশ্বের দুটি বৃহত্তম গম উৎপাদনকারী দেশ। পৃথিবী জুড়ে গমের মোট উৎপাদনের প্রায় এক চতুর্থাংশ আসে এই দুটি দেশ থেকে।
যুদ্ধের কারণে গমের সরবরাহে ঘাটতি, খাদ্যের দামে তীব্র বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। 

অন্যদিকে রাশিয়া প্যালাডিয়ামের বৃহত্তম রপ্তানিকারক। এই ধাতু মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে স্বয়ংক্রিয় নিষ্কাশন সিস্টেম পর্যন্ত বিভিন্ন পণ্যে ব্যবহার হয়। নিষেধাজ্ঞার কারণে এই ধাতুর সরবরাহে যে কোনও ব্যাঘাত এই পণ্যগুলির সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, যা তাদের দামকে আরও বাড়িয়ে দেবে।   

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দাম বাড়তে পারে কোবাল্ট এর। বিশ্বের মোট উৎপাদন এর চার শতাংশ কোবাল্ট উৎপাদন করে রাশিয়া। গত বছর রাশিয়ার কোবাল্ট উৎপাদন এর পরিমাণ ছিল ৭,৬০০ টন। এটি প্রধানত কাঁচ, বার্নিশ, রং , সিরামিক , কালি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও বাড়তে পারে তামার দাম। ফলে বৈদ্যুতিক পণ্যের দাম বাড়ার সম্ভাবনা।

এদিকে উদ্বেগ বাড়িয়ে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের ‘যুদ্ধের’ জেরে বৃহস্পতিবার ধস নামল ভারতের শেয়ার বাজারে। পড়ল সেনসেক্স এবং নিফটি। পতনের সাক্ষী থাকল ৩,০৮৪ টি সংস্থার শেয়ার দিনের শেষে নিফটি ৪.৭৮ শতাংশ কমে ১৬,২৪৭.৯৫-এ বন্ধ হয়েছে। একই অবস্থা সেনসেক্সের। ৫৪,৫২৯.৯১ তে থেমেছে সেনসেক্স। এই ক্ষেত্রে ৪.৭২ শতাংশ তলানিতে নেমেছে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক।

ইউক্রেন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস – দাবি রাশিয়ার,ভারতের সাহায্য প্রার্থনা ইউক্রেনের

ইউক্রেনের ২৩ টি শহরে একযোগে রুশ হামলা। নিহত ১১ ইউক্রেনীয়।ভারতের কাছে কূটনৈতিক সাহায্য প্রার্থনা করলো ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত

একনজরে :

  • ইউক্রেনের ২৩ টি শহরে একযোগে রুশ হামলা
  • হামলায় নিহত ১১ ,আহত অন্তত 230 জন
  • রাজধানী কিয়েভে একাধিক বিস্ফোরণ
  • রাশিয়াকে সমর্থন চীনের
  • পতন ডানবাস অঞ্চলের
  • ভারতের কূটনৈতিক সাহায্য চাইলেন ভারতে নিযুক্ত ইউক্রেন রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদন : সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ঘোষণা করে রাশিয়া ইতিমধ্যেই পূর্ব ইউরোপের ক্রিমিয়া দিয়ে ইউক্রেনে ঢুকে পড়েছে । এরপরই রাজধানী কিয়েভ, খারকিভ-সহ একাধিক শহরে শোনা যায় একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। এমনকি ইউক্রেন নিয়ে কোনও বিদেশি শক্তি নাক গলালে তার ফল ভুগতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। 

ইউক্রেন দখলের কোনো অভিসন্ধি নেই – একথা বহুবার বিশ্বকে জানানোর পরেও রাশিয়ান সেনা বাহিনী পূর্ব ইউক্রেন সীমান্তের ক্রিমিয়ার মধ্য দিয়ে ইউক্রেনে ঢুকতে শুরু করেছে। এর আগেই একতরফা ভাবে ইউক্রেন এর লুগানস্ক ও ডোনেৎস অঞ্চলের স্বাধীনতা ঘোষণা করে রাশিয়া। তার দুদিনের মধ্যেই পুরোদস্তুর সামরিক অভিযান শুরু করেছে রাশিয়া। উক্ত দুটি অঞ্চল ইতিমধ্যেই রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে বলে জানা গেছে।

রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেনের বিমান বন্দর ও বিমান ঘাঁটি গুলো। রাশিয়ার ছোরা ক্ষেপণাস্ত্র এর আঘাতে ইউক্রেনের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে বলে রাশিয়া দাবি করেছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের দাবি তারা পাঁচটি রুশ যুদ্ধ বিমান ও একটি হেলিকপ্টার গুলি করে নামিয়েছে। রাজধানী কিয়েভের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ এর শব্দ পাওয়া গেছে।

এদিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে আগেই ইউক্রেন সীমান্তে এয়ারস্পেস বন্ধ করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনও তাদের ৩টি বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়েছে। গোটা দেশে জারি হয়েছে জরুরি অবস্থা। ইতিমধ্যেই ইউক্রেনের দূতাবাস খালি করেছে মস্কো। ইউক্রেনের তরফেও তাদের নাগরিকদের রাশিয়া ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আজ ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেছে G-7 গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি। বৈঠকে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

অন্যদিকে চীন স্বাভাবিক ভাবেই রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে আমেরিকার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে। ইরাকের প্রসঙ্গ টেনে আমেরিকাকে বিঁধেছে চীন।চীনের আরেক পরম মিত্র পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ইউক্রেনে রুশ হামলাকে চরম রোমাঞ্চকর বলে উল্লেখ করেছেন। ইমরান খানের এই উক্তি কতটা সুস্থ মস্তিষ্কের পরিচয় তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিশেষজ্ঞ মহল।

রাশিয়াকে প্রতিহত করতে প্রত্যেক ইউক্রেন বাসীর হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভোলদিমির জেলেনস্কি।

এদিকে ন্যাটো ভুক্ত দেশগুলো ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দিলেও ইউক্রেনকে কতটা সামরিক সাহায্য করবে তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে।এদিকে সংকট নিরসনে ভারতের সাহায্য চাইলেন ভারতে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ইগর পলিখা । বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘‘বর্তমান সংকট নিরসনে আমরা ভারতের সাহায্য চাইছি। কারন রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন সঙ্কট নিয়ন্ত্রণে নয়াদিল্লি সদর্থক ভূমিকা নিতে পারে। আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অবিলম্বে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং আমাদের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানাচ্ছি ।”

সৌজন্যে-টুইটার/ছবি-সংগৃহিত

রুশ হামলায় একের পর এক বিস্ফোরনে কাঁপছে ইউক্রেন,জোরালো হচ্ছে বিশ্বযুদ্ধের ভ্রুকুটি

বিশ্বের আশঙ্কাই সত্য হল। ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করল রাশিয়া। এদিকে আমেরিকা সহ ন্যাটো ভুক্ত দেশ গুলি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন : এড়ানো গেল না ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ। রাষ্ট্রপুঞ্জের হুঁশিয়ারিকে অগ্রাহ্য করে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে পুরোদমে সামরিক অভিযান শুরু করে দিলো রাশিয়া। ক্রিমিয়ার মধ্য দিয়ে ইউক্রেনে ঢুকে পড়লো রুশ সেনা।

Russia Ukraine Conflict: রুশ আক্রমণের মুখে ইউক্রেনের লুগানস্কের দুটি শহরের আত্মসমর্পণ
ছবি- ANI

এদিকে ইউক্রেন নিয়ে তৃতীয় কোনো বিদেশি শক্তি নাক গলালে তার ফল ভয়ঙ্কর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট । যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে আগেই ইউক্রেন সীমান্তে এয়ারস্পেস বন্ধ করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনও তাদের ৩টি বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়েছে। গোটা দেশে গতকাল থেকে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা,বলবৎ হয়েছে সামরিক আইন।

যুদ্ধ ঘোষণা করেই একসঙ্গে ইউক্রেনের ২৩ টি শহরে আক্রমণ চালিয়েছে রাশিয়া। রাজধানী কিয়েভ সহ ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিভিন্ন শহরকে নিশানা করা হয়েছে। ইউক্রেনের আধিকারিকরা বলেছেন, রাশিয়ার ব্যালেস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল কিয়েভের বেশ কিছু জায়গা লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের নৌবহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। মিসাইল ও রকেট হামলার কারণে কিয়েভ ও খার্কিভে ইউক্রেনের সেনা কম্যান্ডের পোস্ট ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। খারকিভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে ধ্বংস হয়েছে বহু বাড়ি । ইউক্রেন তার প্রশাসনিক কাজকর্ম সরিয়ে নিয়ে গেছে আপাত নিরাপদ পোল্যান্ড সীমানায় । এখনো পর্যন্ত যুদ্ধের বলি হয়েছেন ৯ জন।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন প্রসঙ্গে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়াকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, ইউক্রেনে রুশ হামলার জেরে যে মৃত্যু ও ধ্বংসলীলা হবে তার জন্য শুধু রাশিয়া-ই দায়ী থাকবে। গোটা বিশ্ব এর জন্য শুধু রাশিয়াকেই দায়ী করবে।আমেরিকা ও তার মিত্রশক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে এর জবাব দেবে। রাশিয়াকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করবে বিশ্ব।

জো বাইডেন বলেন, ” ইউক্রেনের জনগণের সাথে রয়েছে সারা বিশ্বে র মানুষের প্রার্থনা। কারণ তারা রাশিয়ার দ্বারা বিনা প্ররোচনায় এবং অযৌক্তিকভাবে সাম্রাজ্যবাদী আক্রমণের শিকার হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন পূর্বপরিকল্পিত একটি যুদ্ধ বেছে নিয়েছেন, যা জীবন ও মানুষের দুর্ভোগ ডেকে আনবে।” এদিকে ইউক্রেন সংকট নিরসনে সমাধান সূত্র খোঁজার উদ্দেশ্যে জরুরি বৈঠকে বসছে জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ব্রিটেন এবং আমেরিকাকে নিয়ে গঠিত জি-৭ গোষ্ঠী ।

Joe Biden on Russia :
ছবি-ANI

কিলি পল কে সম্মানিত করল তানজানিয়ার ভারতীয় হাই কমিশন

সুদূর তানজানিয়া থেকে হিন্দি ছবির গানে লিপ দিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন কিলি পল। তাকে এবার সন্মান জানালো তানজানিয়ার ভারতীয় হাই কমিশন।

কিলি পল ও তার বোন নিমা পল

নিজস্ব প্রতিবেদন : ইন্সট্রাগ্রামে ভারতীয়দের মধ্যে প্রবল জনপ্রিয় কিলি পলকে সম্মানিত করল তানজানিয়ার ভারতীয় দূতাবাস (Indian High Commission in Tanzania)। তানজানিয়ার বাসিন্দা কিলি পল (Kili Paul) বিভিন্ন ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গানে গলা মিলিয়ে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছেন ইনস্টাগ্রাম (instragram)সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে। সোমবার ভারতীয় হাই কমিশন টুইটারে “ভারতে লক্ষ লক্ষ হৃদয় জয় করা” (millions of hearts in india) তাঁদের এই ‘বিশেষ অতিথি’ সম্পর্কে পোস্ট করেছে।

সৌজন্যে-টুইটার

সুদূর আফ্রিকায় থেকেও বলিউডের গানে মেতেছেন কিলি ও তার বোন নিমা । তাঁদের প্রিয় গায়ক জুবিন । বেশিরভাগ জুবিনের গানেই লিপ সিঙ্ক করে ভিডিও তৈরি করেন তাঁরা। শুধু নেটদুনিয়া নয় কিয়ারা আডবাণী, সিদ্ধার্থ মলহোত্রাদের মতো তারকারাও বাহবা দিয়েছেন। আকাশছোঁয়া সাফল্যের মাঝে এই সম্মান পেয়ে বেজায় আপ্লুত কিলি পল।

গত পয়লা ডিসেম্বর ‘শেরশাহ’ সিনেমার ‘রাতা লম্বিয়াঁ’ গানটির ভিডিও তৈরি করেন কিলি ও নিমা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। তার জেরেই দুই ভাই-বোনকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে যায়। তারপরেই কিলি এবং নিমা পল রাতারাতি ইন্টারনেট সেনসেশন হয়ে উঠেছেন। কিলি পলের (Instagram Sensation Kili Paul) ইনস্টাগ্রামে ২ মিলিয়নেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছেন। আয়ুষ্মান খুরানা, গুল পনাগ, রিচা চাড্ডা সহ অনেক  ভারতীয় অভিনেতাও তাঁকে ফলো করেন।

জনপ্রিয় হিন্দি চলচ্চিত্রের গানে ঠোঁট মেলানোর পাশাপাশি কিলি পল নিজের ভিডিওতে নাচও প্রদর্শন করেন । কিলি পলের ভিডিওগুলির মধ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল শেরশাহ চলচ্চিত্রের ‘রাতা লম্বিয়া’ গানের ভিডিওটি। ওই ভিডিওতে কিলির বোন নিমাকেও দেখা যায়।

নিজ তানজানিয় সংস্কৃতির পোশাকেই ভিডিওগুলি তৈরি করেন কিলি (Instagram Sensation Kili Paul)। তানজানিয়ার ঐতিহ্য বজায় রেখেই সুদূর ভারতের বিখ্যাত গানগুলিকে আরও প্রসারের উদ্দেশ্যে ভিডিও পোস্ট করে নেটিজেনদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন কিলি পল।

ভারতীয় সঙ্গীত কে সুদূর আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ায় বসে এইভাবে তুলে ধরার জন্য কিলি পলকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেছে তানজানিয়ার ভারতীয় দূতাবাস। এই বিশেষ সম্মান পাওয়ার জন্য কিলিকে (Instagram Sensation Kili Paul) অভিনন্দন জানিয়েছেন নেটিজেনরা। প্রত্যুত্তরে কিলি পলও তাকে বিশেষ সম্মাননা জানানোর জন্য ভারতীয় হাই কমিশন ও ভারতবাসীকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি জয় হিন্দ অভিবাদনও জানিয়েছেন।

সৌজন্যে-ইন্সট্রাগ্রাম

নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে (Kili Paul’s Instagram profile) নিজেকে “নৃত্যশিল্পী এবং বিষয়বস্তু নির্মাতা”(Dancer and Content creator) হিসাবেই তুলে ধরেছেন কিলি পল। তাঁর একটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে , যেখানে তাঁর জনপ্রিয় সব ভিডিও পোস্ট করা হয়।

সৌজন্য-ইন্সট্রাগ্রাম

কিলির সাম্প্রতিক পোস্টগুলির মধ্যে ছিল পশ্চিমবঙ্গের বাদাম বিক্রেতা ভুবন বাদ্যকর এর জনপ্রিয় ‘কাঁচা বাদাম’ গান নিয়ে। কিলি পলের বোন নিমাকেও এই গানে নাচতে দেখা গিয়েছে।

আজ শতাব্দীর তৃতীয় ‘প্যালিন্ড্রোম ডে’ , শুভেচ্ছা-পোস্টে ভাসছে বিশ্ব

একবিংশ শতাব্দীতে মোট 12 টি প্যালিন্ড্রোম ডেট (Palindrome Date)পড়েছে। তার মধ্যে আজ তৃতীয় প্যালিন্ড্রোম । কি এই ‘প্যালিন্ড্রোম’?

আজ এমন একটি দিন যা আসে প্রতি ১১ বছর পর পর। আজ অঙ্কের বিচারে আশ্চর্যরকম মিলে যায় দিন, মাস, বছরের সংখ্যা। আজ ফেব্রুয়ারি মাসের ২২ তারিখ (Date Of February)। অর্থাৎ তারিখের ফরম্যাট দাঁড়াচ্ছে ২২.০২.২০২২। অর্থাৎ সামনে থেকে গুনলেও যা হবে, পিছন দিক থেকে গুনলেও তা হবে। এমন দিন শুধু দূর্লভ নয়, প্রায় অসম্ভবের মতো (Date Of February)। এটিকে বলে প্যালিন্ড্রোম ডেট।

যেহেতু আজ মঙ্গলবার, তাই অনেকেই এটিকে বলছেন ‘টুজ্ ডে’ (Two’s day)।

সাধারণত আমরা মাস, তারিখ লিখি ব্রিটিশ ফরম্যাটে (dd/mm/yyyy)। সেখানে প্রথমে আসে তারিখ, তারপর মাস ও তার পর বছর।

তবে আমেরিকার সাল তারিখ লেখার পদ্ধতি একটু ভিন্ন। সেটিতে প্রথমে মাস, তারপর তারিখ, তার পর বছর (mm/dd/yyyy) আসে। আমেরিকার নিয়ম অনুসারে ২০ ফেব্রুয়ারিও এমন একটি প্যালিন্ড্রোম দিন ছিল, যেখানে তারিখের শুরু বা শেষ থেকে দেখলে একই রকম অর্থাৎ , ২.২০.২০২২।

২০০১ সাল থেকে ২০৯৯ সাল পর্যন্ত মাত্র ১২ টি এমন দিন পাওয়া যাবে। এর প্রথম দিনটি ছিল ২ অক্টোবর ২০০১ (১০.০২.২০০১) এবং শেষ দিনটি থাকবে ২২ সেপ্টেম্বর ২০৯২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি (২৯.০২.২০২৯)। আজকের দিনটি, অর্থাৎ ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২-এর মতো ডেট ফরম্যাট প্রতি ১১ বছর অন্তর দেখা যায়। এর পরেরটি দেখা যাবে ১১ বছর বাদে, ৩ মার্চ ২০৩৩ সালে(০৩.০৩.২০৩৩। তবে এই দিনটির গুরুত্ব আরও। কারণ এই দিনটিতে পুরো আট সংখ্যার সমতা দেখা যাচ্ছে। কোনও পরিবর্তন ছাড়াই। এর পর এমনই একটি সাত সংখ্যার সাম্য দেখা যাবে ২২২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি , ২০০ বছর পরে।

এই বিশেষ 22.02.2022 দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে সমাজ মাধ্যম ভরে গেছে নানান ধরণের পোস্টে। অনেকে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন প্রিয় জনের সঙ্গে। দিল্লি পুলিশও মানুষকে সচেতন করতে আজকের দিনটিকে বেছে নিয়েছে ।

ট্যুইট বার্তায় দিল্লি পুলিশ বলছে , “সবাইকে টুজডের শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে।আজকের দিনটি যেহেতু 22022022, আমরা আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই , গতি বাড়ানোর আগে দুবার বাবা মায়ের কথা ভাবুন”

পূর্ব ইউক্রেনে ঢুকে পড়ল রুশ সেনা,দুটি অঞ্চলকে স্বাধীন ঘোষণা পুতিনের

পূর্ব ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী দুই অঞ্চল – ডোনেস্ক রিপাবলিক (Donetsk People’s Republic), লুগানস্ক রিপাবলিক (Lugansk People’s Republic) এর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিল রাশিয়া। 

ভ্লাদিমির পুতিন

নিজস্ব প্রতিবেদন : সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এ বার সত্যিই রাশিয়ার সেনা পৌঁছে গেল ইউক্রেনে (Ukraine Crisis)। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক ঘোষণায় জানিয়েছেন , ইউক্রেনের দুই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখতে সেনা পাঠাচ্ছে রাশিয়া। এর আগে 2014 সালে ক্রিমিয়ার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল। সেখানেও নিজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা পাঠিয়েছিল রাশিয়া, তারপর সেই প্রদেশ হাতছাড়া হয়েছিল ইউক্রেনের (Ukraine Crisis)। ক্রিমিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় ।এবারও সেই ঘটনাই ঘটতে চলছে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল । পুতিন রুশ সেনাকে নির্দেশ দিয়েছেন ডোনেস্ক পিপলস রিপাবলিক (Donetsk People’s Republic) এবং লুগানস্ক পিপলস রিপাবলিকের (Lugansk People’s শান্তি বজায় রাখতে যথাযথ পদক্ষেপ করতে।

মঙ্গলবার পুতিন বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, দোনেত্‍স্ক পিপলস রিপাবলিক (Donetsk People’s Republic) এবং লুগানস্ক পিপলস রিপাবলিকের (Lugansk People’s Republic) স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাকি থাকা সিদ্ধান্ত অবিলম্বে নেওয়া প্রয়োজন।” সোমবারই রুশপন্থী বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত দোনেত্‍স্ক (Donetsk People’s Republic) ও লুহানস্ককে (Lugansk People’s Republic) স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে রাশিয়া। এ সংক্রান্ত একটি ডিক্রিতে সই করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাডিমির পুতিন ( Vladimir Putin) ।

রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্ন এবং উচ্চকক্ষ উভয়েই মঙ্গলবার এই স্বীকৃতির বিষয়ে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারে দেখা যায়, ইউক্রেনের (Ukraine) বিদ্রোহী নেতাদের সঙ্গে, ক্রেমলিনে (Kremlin), পারস্পরিক সাহায্য ও বন্ধুত্বের চুক্তিতে স্বাক্ষর করছেন পুতিন। ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, “ইউক্রেনের শুধু একটি মাত্ৰ লক্ষ্য,  রাশিয়াকে উন্নয়ন থেকে বিরত রাখা।” রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ” ইউক্রেন আর্থিক সংকটে বিপর্যস্ত । দুর্নীতিতে ভরা একটি দেশ।” 

সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এই দুই অঞ্চলের স্বীকৃতির বিষয়ে তিনি ইতিমধ্যে কথা বলেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ ও জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস এর সঙ্গে, এই সিদ্ধান্ত এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে সুবিধা হয়। স্বাভাবিক কারণে রাশিয়ার এই মনোভাব নতুন করে যুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। একদিকে ক্রিমিয়া রয়েছে রাশিয়ার দখলে। এর পর এই দুই অংশও যদি ইউক্রেন থেকে আলাদা হয়ে যায়, তাহলে ইউক্রেনের শক্তি আরও কমবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।



এই সিদ্ধান্ত এর পরেই ইউক্রেনের পূর্বপ্রান্তে রাশিয়া সেনা পাঠানো শুরু করে।  এই পরিস্থিতিতে জরুরি বৈঠকে বসেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ। ভারতের তরফে নিরাপত্তা পরিষদে কূটনৈতিক আলোচনার পথেই সমাধানের রাস্তা খোঁজার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।  যদিও রাশিয়ার এই পদক্ষেপকে কার্যত ইউক্রেন আক্রমণের প্রাথমিক ধাপ হিসেবেই দেখছে আমেরিকা সহ পশ্চিমী বিশ্ব।

অন্যদিকে দুইদিন আগেই ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশ বেলারুশে রাশিয়া , বেলারুশের সেনাদের সঙ্গে যৌথ যুদ্ধমহড়া চালিয়েছে। রাশিয়ার সেনাবাহিনী পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর মহড়াও করে । এছাড়াও মহড়া চলেছেল আন্তর্মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, বোমারু বিমানের থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ , সাবমেরিন থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের।

রাশিয়ার পারমাণবিক মহড়া অনেক দিক থেকেই গত ৯ দিনের বিশাল সামরিক মহড়ার মুকুটস্বরূপ। ক্রেমলিন বেলারুশ, কৃষ্ণ সাগর ও রুশ ফেডারেশনের অন্যান্য অংশে চালানো আগের কয়েক দিনের অনুশীলনগুলো উপস্থাপন করেছিল রাশিয়ার প্রচলিত সশস্ত্র বাহিনীর জন্য একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে।

তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসন এবং তার ন্যাটো মিত্ররা জোরালো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই মনে করে, ওই সব মহড়া আসলে ইউক্রেন আক্রমণ করার প্রস্তুতি আড়াল করতে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করা মাত্র।

অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইতিবাচক ভঙ্গিতে বলেছেন , শান্তি আমরাও চাই , কিন্তু কোনো অবস্থাতেই রাশিয়ার হাতে ভূখণ্ড তুলে দেওয়ার বিনিময়ে নয়।

ভারতীয়দের অস্ট্রেলিয়ায় আমন্ত্রণ জানালেন ব্রেট লি , কিন্তু কেন?

ভারতকে ব্রেট লি তার সেকেন্ড হোম বলেই মনে করেন। অস্ট্রেলিয়ার নৈসর্গিক দৃশ্য সহ সাংস্কৃতিক স্থানগুলো উপভোগ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

ব্রেট লি

বিশ্ব ব্যাপী কোভিড অতিমারির কারনে ভ্রমণ বিধিনিষেধের পাশাপাশি ভ্রমণকারীদের মধ্যে চাহিদা হ্রাসের কারণে পর্যটন শিল্পে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় পর্যটন শিল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে , কারণ বহু দেশ অতিমারী নিয়ন্ত্রণ করার প্রচেষ্টায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাগুলি চালু করেছে , যা এখনো কোনো কোনো দেশে চালু আছে ।বিশ্বজুড়ে অনেক পর্যটন ক্ষেত্র যেমন, যাদুঘর, বিনোদন পার্ক এবং খেলাধুলার স্থান, ধর্মীয় স্থান সহ বিভিন্ন পর্যটক আকর্ষণকারী স্থান বন্ধ রয়েছে।

মহামারীর ফলস্বরূপ, অনেক দেশ সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে নাগরিক বা সাম্প্রতিক ভ্রমণকারীদের জন্য পৃথকীকরণ, প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা বা অন্যান্য বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।  যা সমস্ত বিদেশীর জন্য দেশ এবং অঞ্চলগুলিতে প্রযোজ্য অথবা তাদের নিজস্ব নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণে প্রযোজ্য। 

বিশ্বজুড়ে ভ্রমণে আগ্রহ হ্রাস সহ, এই সীমাবদ্ধতাগুলি সেসব অঞ্চলের পর্যটন শিল্পে নেতিবাচক অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলেছে। পর্যটন শিল্প এর উপর সারা বিশ্বের একটা বড় অংশের মানুষ নির্ভরশীল। বিমান পরিবহন, স্থল পরিবহন,জল পরিবহন সহ হোটেল, রেস্তোরাঁ,ক্যাসিনো,ক্রুজ বাণিজ্য প্রভৃতি যে সব ক্ষেত্র পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত , প্রতিটি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ।

2019 থেকে 2022 একের পর এক নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে হাজির হয়েছে প্রাণঘাতী কোভিড। আর তা থেকে নিজের নাগরিকদের বাঁচাতে দরজা বন্ধ করতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড, আমেরিকা , চীন , কানাডা, ভারত , ফ্রান্স, পর্তুগাল , ব্রাজিল , নরওয়ে , ডেনমকি , সিঙ্গাপুর , দুবাই , বসনিয়া , মালয়েশিয়া, হংকং, জাপান , ইন্দোনেশিয়া মতো পর্যটকদের আকর্ষণ এর কেন্দ্র বিন্দুতে থাকা প্রায় সব দেশকে। বিশ্বে প্রতিবছর পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগ হয় কয়েক কোটি মার্কিন ডলার। গত দুবছরে এই বিনিয়োগ এবং এখান থেকে আয় নেমে এসেছে অনেক নীচে।

তবে এর মধ্যেই ভারতীয় পর্যটকদের আশার কথা শুনিয়েছেন কিংবদন্তি প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ব্রেট লি (brett lee)। ইতিমধ্যেই দেশে পর্যটকদের জন্য দরজা খুলে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয়দের সে দেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ব্রেট লি। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ালিয়ার নৈসর্গিক দৃশ্য সহ সংস্কৃতি বিষয়ক স্থানগুলো উপভোগ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

ছবি – ফেসবুক

ভারতকে ব্রেট লি তার সেকেন্ড হোম বলেই মনে করেন। কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (prime minister Narendra Modi) ব্রেট লি কে প্রজাতন্ত্র দিবদের (Republic Day)শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত , ব্রেট লি র টুইটার আকাউন্টেও ( @BrettLee_58 ) সর্বদা জ্বল জ্বল করে অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি ভারতের জাতীয় পতাকা। তাই এ দেশকে তিনি কতটা ভালোবাসেন তা সহজেই অনুমেয়।ভারতীয়দের জন্য আর বিশেষ আমন্ত্রণ বার্তা তারই অংশ।

ভারতে ৪২টি ভাষা দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যুর দোরগোড়ায়!

বিশ্বজুড়ে বিলুপ্তির পথে বা ইতিমধ্যেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে বহু ভাষা। এই তালিকায় রয়েছে ভারতের বিয়াল্লিশ টি ভাষা। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই ১০টি ভাষা…

মাতৃভাষা মাতৃদুগ্ধ এর সমান। ভাষা মানুষের মস্তিষ্কজাত একটি মানসিক ক্ষমতা যা অর্থবাহী বাকসংকেতে রূপায়িত হয়ে মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করতে এবং একই সমাজের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করে।  পৃথিবীর প্রতিটি জনগোষ্ঠীর একান্তই নিজস্ব যে ভাষা , তাই মাতৃভাষা। ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর  রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার ৬৫তম অধিবেশনে স্থির হয় প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে রাষ্ট্রপুঞ্জ। সেই থেকে প্রতিবছর বিশ্ব জুড়ে পালিত হয়ে আসছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

মাতৃভাষা দিবস পালন এর গৌরবময়তার মধ্যেও এক আশঙ্কা তাড়া করে বেড়াচ্ছে বিশ্ব ভাষাপ্রেমীদের। যত দিন এগোচ্ছে , প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষের জীবন পরিবর্তিত হচ্ছে , পাল্টে যাচ্ছে মানুষের ভাব বিনিময়ের প্রধান উপাদান ভাষার গঠন – আঙ্গিক – বাচনভঙ্গী। ফলে এক ভাষা থেকে যেমন অন্য ভাষায় নতুন শব্দ প্রবেশ করে তার রূপ কে বদল করছে ; তেমনি কিছু ভাষার বিলুপ্তির কারন হয়েও দাঁড়াচ্ছে।

ভারত বহু ভাষাভাষীর দেশ। ভারতীয় সংবিধানের অষ্টম তফশিলে (Indian Constitution, schedule 8 )মোট ২২টি নির্ধারিত ভাষা এবং ১০০টি নির্দিষ্ট ভাষা রয়েছে। রয়েছে যুক্তিনির্ভর ১ হাজার ৬৩৫টি মাতৃভাষা। আরও রয়েছে ২৩৪টি চিহ্নিত মাতৃভাষা। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার বিভিন্ন সময় আরও ৩১টি আঞ্চলিক ভাষাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এক লাখ বা তার বেশি মানুষ সে ভাষায় কথা বলে। এর মধ্যেই আবার ৪২টি ভাষায় কথা বলে ১০ হাজারের কম মানুষ। এই ৪২টি ভাষা এখন ইউনেসকোর বিপন্ন ভাষার তালিকায় স্থান পেয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ১০টি ভাষা। এগুলো হলো গ্রেট আন্দামানিজ, জারোয়া, লুরো, মুয়োট, ওঙ্গে, পু, সানেন্যিও, সেন্টিলিজ, শম্পেন ও তাকাহান্যিলাং। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দাবি, এই ভাষাগুলিকে বিপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কারন এগুলি দ্রুত অবলুপ্তির দিকে এগোচ্ছে।

ইউনেস্কোর নয়া রিপোর্টেও ভারতের এই ৪২টি বিপন্ন ভাষা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাদের চিরতরে হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের গ্রেট আন্দামানিজ, জারোয়া, লুরো, মুয়োট, ওঙ্গে, পু, সানেনিও, সেন্টিলিজ, শম্পেন ও তাকাহান্যিলাং। মণিপুরের ৭টি ভাষা যথা আইমল, আকা, কইরেন, লামগ্যাং, লাংরোং, পুরুম ও তারাও ক্রমে অবলুপ্তির পথে এগোচ্ছে। একই পরিণতি হতে চলেছে হিমাচল প্রদেশের বাঘাতি, হান্ডুরি, পাংভালি ও সিরমাউদি ভাষার।

এছাড়া বিপন্ন তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে ওডিশার মান্‌ডা, পার্জি ও পেঙ্গো, কর্নাটকের কোরাগা ও কুরুবা, অন্ধ্রপ্রদেশের গাডাবা ও নাইকি, তামিলনাডুর কোটা ও টোডা, অরুণাচল প্রদেশের ম্রা ও না, অসমের টাই নোরা এবং টাইরং, উত্তরাখণ্ডের বাঙ্গানি, ঝাড়খণ্ডের বিরহোড়, মহারাষ্ট্রের নিহালি, মেঘালয়ের রুগা এবং পশ্চিমবঙ্গের টোটো,মালতও , শবর, থারু, হাজং , ধীমাল , কয়া ,বিরহর, তামাং উপজাতিদের কথ্য ভাষা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশে বিপন্ন ভাষা রক্ষা ও সংরক্ষণে দীর্ঘ দিন ধরে নিযুক্ত রয়েছে মাইসুরুর কেন্দ্রীয় ভাষা চর্চা প্রতিষ্ঠান(Central Institute of Indian Language)।

কেন্দ্রীয় প্রকল্প অনুযায়ী, বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলিকে বাঁচিয়ে রাখার প্রয়াসে ব্যাকরণগত বিবরণ, একভাষিক ও দ্বিভাষিক অভিধান, পাঠ্য পুস্তক, লোক কাহিনি সংগ্রহ, বিপন্ন ভাষার এনসাইক্লোপিডিয়া (Encyclopaedia) ইত্যাদি তৈরি করার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার কাজ চলেছে।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার- টুইটার

প্রয়াত সাধন পান্ডে

প্রয়াত রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পান্ডে ১৯৫২-২০২২

ইউনিস এর তান্ডবে লন্ডভন্ড ইউরোপ , উড়ে যাচ্ছে মানুষ !

১৯৬ কিমি বেগে প্রবাহিত ঘূর্ণিঝড় ‘ইউনিস’এর  তান্ডবে বিধ্বস্ত ব্রিটেন সহ পূর্ব ইউরোপ। রইলো ভিডিও

নিজস্ব প্রতিবেদন :  অতি ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় ‘ইউনিস’এর তান্ডবে বিধ্বস্ত ব্রিটেন (Storm Eunice) সহ পূর্ব ইউরোপ । ১৯৬ কিমি বেগে প্রবাহিত ঝড়ের দাপটে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৯ থেকে ১০ জনের। গোটা ব্রিটেন জুড়েই ঝড়ের প্রভাব পড়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষকে ঝড়ের দাপট (Storm Eunice) থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিতে হয়েছে শরণার্থী শিবিরে। শুক্রবার এই ঝড়ের দাপটে কার্যত তছনছ সাজানো শহর লন্ডন। হওয়ার দাপটে উড়ে গেছে লন্ডনে র O2 স্টেডিয়ামে র ছাদ। বন্ধ বিমান , ট্রেন ও ফেরি পরিষেবা। বস্তুত, গোটা পূর্ব ইউরোপ জুড়েই ঝড়ের তান্ডব দেখা দিয়েছে। বিপুল সংখ্যায় মানুষের প্রাণহানীর আশঙ্কা থেকে বাঁচতে লাল সতর্কতা জারি করেছে ব্রিটেন প্রশাসন।

ক্ষতিগ্রস্ত লন্ডনের O2 স্টেডিয়াম,রয়টার্স

১৯৬ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়া ঘূর্ণিঝড় ইউনিস এর দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্রিটেন ছাড়াও আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, জার্মানি ও পোল্যন্ডের বহু এলাকা। শুধুমাত্র ব্রিটেনেই ২ লাখ বাড়ি বিদ্যুৎ হীন । ইউরোপজুড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের।

বিদ্যুত্ ফেরাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করে চলেছে সে দেশের এমার্জেন্সি সার্ভিস। ওই বিভাগের মতে ইউনিসের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ লাখ বাড়ির বিদ্যুত্ সরবরাহ। ঝড়ের গতি কোথাও কোথাও ১২২ মাইল বা ১৯৬ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছছে। 

ঝড়ের দাপটে ব্রিটেনের বহু জায়গায় পরিবহন ব্যবস্থার অবস্থা বেহাল। ব্রিটিশ রেলের তরফে সাধারণ মানুষকে আপাতত ট্রেন সফর এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ট্রেন সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নেদারল্যন্ডসে। ওভারহেড বিদ্যুতের তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইউরোস্টার-এর মতো আন্তর্জাতিক ট্রেন সার্ভিস। ফ্রান্সেও রেল ও জলপথ পরিবহন ব্যবস্থা যথেষ্ট পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৮৭-র গ্রেট স্টর্ম এর পর এত শক্তিশালী ঝড় আর কখনও হয়নি ব্রিটেনে। এত বছর পর এই প্রথম লাল সতর্কতা (Red Warning)জারি করা হয় ব্রিটেনে। পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় ব্রিটিশ আবহাওয়া দফতর দক্ষিণ ইংল্যান্ড উপকূল ও সাউথ ওয়েলসে (South Wails)হলুদ সতর্কতা (Yellow Warning)জারি করেছে। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় পাওয়া একটি ভিডিও তে দেখা যাচ্ছে , ঝড়ের দাপটে লন্ডনের রাস্তায় উড়ে যাচ্ছে মানুষ।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার- টুইটার

মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আফগান জঙ্গিরা কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে জড়ো হচ্ছে !

নিজস্ব প্রতিবেদন : মার্কিন সেনা ফিরে গিয়েছে বেশ কয়েক মাস আগে। যাওয়ার আগে কিছু যুদ্ধেস্ত্র ধ্বংস করে দিয়ে গেলেও আফগানিস্তানে (Afghanistan) এখনও তাদের ফেলে যাওয়া বহু অত্যাধুনিক অস্ত্র পড়ে রয়েছে ৷ আর সেই সমস্ত অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়েই পাকিস্তান হয়ে কাশ্মীর সীমান্তে (Afghan Terrorists at Line of Control) জড়ো হচ্ছে আফগান জঙ্গিরা ৷ এমনই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন উত্তর কাশ্মীরের বারামুলায় নিযুক্ত ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৯ নম্বর ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের জেনারেল অফিসার মেজর জেনারেল অজয় চাঁদপুরিয়া (Ajay Chandpuriya) ।

মেজর জেনারেল অজয় চাঁদপুরিয়া
১৯ নম্বর ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন

মেজর জেনারেল চাঁদপুরিয়া বলেন, ‘আফগানিস্তানের পরিবর্তিত পরিস্থিতির যথেষ্ট প্রভাব আমাদের দেশের নিরাপত্তার উপরে পড়ছে৷ বিশেষত জম্মু কাশ্মীরে (Jambu & Kasmir) আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে৷ আমেরিকার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে আফগান জঙ্গিরা এতদিন লড়াই করছিল, তাদের এখন আর অন্য কোনও কাজ নেই ৷ তাই বসে থাকা সেই জঙ্গীদেরকেই কাজে লাগানো হচ্ছে৷’

আশঙ্কার বিষয় , আধুনিক রাইফেল , ট্যাঙ্ক , নাইট ভিশন ডিভাইস, মাইন-নিরোধক গাড়ি, অত্যাধুনিক হেলিকপ্টারের মতো সব উন্নত অস্ত্রশস্ত্র যেগুলো মার্কিন বাহিনী ফেলে গিয়েছে আফগানিস্তানে সেগুলো এখন তালিবানের হাতে এসেছে। ফলে আফগান জঙ্গীদের হাতে সেই অস্ত্র পৌঁছনোর সমূহ সম্ভাবনা। জেনারেল চাঁদপুরিয়ার দাবি , “এলওসি-তে নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত অস্ত্র/ডিভাইস সাধারণত দেখা যায় না। মার্কিন সেনারা চলে যাওয়ার সময় এগুলো আফগানিস্তানে ছিল। আমাদের বিশ্লেষণ- শুধু সন্ত্রাসীরাই নয় অস্ত্রও আসতে পারে কাশ্মীরে”।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, তালিবানরা ক্ষমতা য় আসার পর আফগানিস্তানের জেলে বন্দি বহু জঙ্গিকে মুক্তি দিয়ে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিয়েছে প্রশিক্ষণ এর জন্য। জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তৈবার বহু প্রশিক্ষিত জঙ্গি ইতিমধ্যেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিভিন্ন ক্যাম্প এবং লঞ্চ প্যাডে পৌঁছে গিয়েছে৷

মেজর জেনারেল চাঁদপুরিয়ার দাবি , এই মুহূর্তে অন্তত ১০০ – ১৩০ জন জঙ্গি কাশ্মীরে ভারতীয় সীমান্তের উল্টোদিকে লঞ্চ প্যাডগুলিতে ঘাঁটি গড়ে রয়েছে ৷ ওই সেনাকর্তার দাবি অনুযায়ী, ‘গত এক বছরে আমরা জঙ্গি অনুপ্রবেশের যে প্রচেষ্টাগুলি রুখেছি, সেই ঘটনাগুলিতে আমরা অত্যাধুনিক মার্কিন অ্যাসল্ট রাইফেল, থার্মাল ইমেজিং নাইট ভিশন ডিভাইসের মতো সাজ সরঞ্জাম উদ্ধার করেছি৷’ এ থেকেই প্রমাণিত মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অস্ত্র জঙ্গিদের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে।

গত প্রায় একবছর ধরে পাকিস্তান সীমান্তে ভারতীয়সেনার কঠোর নজরদারীর ফলে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে৷ যার ফলে জঙ্গি অনুপ্রবেশের জন্য পাকিস্তান সেনার পক্ষ থেকে কভার ফায়ারিং করা সম্ভব হচ্ছে না৷ উল্লেখ্য, প্রতিবছর শীতে বরফ পড়ার আগে পাক বাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য থাকে , কভার ফায়ারিং করে কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটানো।

গত বছর মোটের উপরে নিয়ন্ত্রণরেখা শান্ত থাকলেও , গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, এ বছরের গ্রীষ্ম কাল পড়লেই বড়সড় জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা শুরু হবে ৷ আর এতে মুখ্য ভূমিকা নেবে আফগান জঙ্গিরা।

বিস্ফোরণ আন্তর্জাতিক তেল পাইপলাইনে! সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কায় বিশ্ব

শুক্রবার পূর্ব ইউক্রেনের রুশ-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী শহর লুগানস্কের মধ্য দিয়ে চলমান একটি আন্তর্জাতিক তেল পাইপলাইন বিস্ফোরিত হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদন : 18 ফেব্রুয়ারি শুক্রবার পূর্ব ইউক্রেনের (eastern Ukraine) একটি প্রধান বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত শহরে থাকা আন্তর্জাতিক তেল পাইপলাইন বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে । রুশ (Russia) সংবাদমাধ্যম এই খবর জানিয়েছে। যে ছবিগুলি দেখানো হয়েছে তাতে রাতের আকাশে আগুনের গোলাও দেখা যাচ্ছে।

রাশিয়ার আরআইএ নভোস্তি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা (RIA Novosti state news agency) জানিয়েছে, রুশ-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী আধিকৃত শহর লুগানস্কর (Lugansk) দ্রাজবা (Druzhba) পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে।

ঘটনাটির কারণ এখনও অস্পষ্ট থাকলেও এই ঘটনার ফলে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারন করেছে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

ইউরোপের বিভিন্ন স্থানে তেল সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ দ্রুজবা পাইপলাইন, যা রাশিয়া থেকে পূর্ব এবং মধ্য ইউরোপের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে চলে, এটি বিশ্বের দীর্ঘতম তেল পাইপলাইন এবং বিশ্বের বৃহত্তম তেল পাইপলাইন নেটওয়ার্কগুলির মধ্যে একটি। 

সোশাল মিডিয়ায় পাওয়া ছবিতে দেখা গেছে যে , একটি উজ্জ্বল কমলা রঙের আগুনের গোলা রাতের আকাশ আলোকিত করছে।

পাইপলাইনে আঘাত হানার এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে লুগানস্কে দ্বিতীয় বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

এই বিস্ফোরণের কারণগুলি তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। তবে লুগানস্কের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে যুক্ত একটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট জানিয়েছে যে দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি শহরের উপকণ্ঠে একটি পেট্রোল পাম্পে ঘটানো হয়েছে।উভয় বিস্ফোরণে হতাহতের কোনও খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

এদিকে পরিস্থিতি আরো জটিল করে রাশিয়া ইউক্রেন সীমান্তের কাছে প্রায় ১০০,০০০ সেনা মোতায়েন করেছে এবং নৌ মহড়ার জন্য কৃষ্ণ সাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠিযেছে । ফলে ইউক্রেনের উপরে রাশিয়ার সম্ভাব্য আক্রমণ সম্পর্কে NATO-র অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির মধ্যে যথেষ্ট উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

যদিও রাশিয়া প্রথম থেকেই বলে আসছে যে , তারা ইউক্রেন আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা করছে না।

কিন্তু বৃহস্পতিবার থেকে রুশপন্থী বিদ্রোহীদের সঙ্গে ইউক্রেনের সরকারি বাহিনীর লড়াই শুরু হলে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের শঙ্কা সৃষ্টি হয়। এখন পর্যন্ত এ লড়াইয়ে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায় নি । কূটনৈতিক সূত্র বলছে, শুক্রবার সকালে ৬০০টির বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যা বৃহস্পতিবারের চেয়ে ১০০টি বেশি। ২০১৪-২০১৫ সালেও এ রকম দেখা যায়নি। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এ পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘বিপজ্জনক’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মার্কিন বিদেশ মন্ত্রী আন্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ওয়াশিংটনের ধারণা, রাশিয়া সর্বাত্মক আক্রমণের পরিকল্পনা করছে। অজুহাত তৈরির মাধ্যমে এ আক্রমণ শুরু করতে পারে। সম্ভবত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সংঘর্ষের অভিযোগে তারা ইউক্রেনে আক্রমণ চালাবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিত্রদের একত্র করে গতকাল একটি বৈঠক করেছেন। বৈঠকে যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর প্রতিনিধিরা যুক্ত হন।

ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে একে ‘পশ্চিমা বিলাপ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। মস্কো শুক্রবার বলেছে, ইউক্রেনের সীমান্তের কাছ থেকে একটি ট্যাংক ইউনিটসহ আরও দুটি যান্ত্রিক পদাতিক ইউনিটকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মস্কোর পক্ষ থেকে তাদের নিরাপত্তা দাবির পাশাপাশি ইউক্রেনে ন্যাটোর (North Atlantic Treaty Organization) সদস্য না করার দাবি জানানো হয়েছে।

এদিকে কূটনীতিক বহিষ্কার নিয়ে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাশিয়ার একজন কূটনীতিককে বহিষ্কারের জবাবে রাশিয়া দুজন মার্কিন কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে।

তবে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে রাশিয়ার দ্রুত আক্রমণের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ওলেক্সি রেজনিকভ শুক্রবার পার্লামেন্টে বলেছেন, ‘আমাদের গোয়েন্দারা রাশিয়ার প্রতিটি পদক্ষেপ খেয়াল রাখছে। আমাদের ধারণা, বড় ধরনের লড়াইয়ের আশঙ্কা কম।’

চিত্র – আন্তর্জাল সংগৃহিত

যৌনকর্মী ইস্যুতে আবারও বিতর্কের মুখে আলিয়া ভাট অভিনীত ‘গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’

মুক্তির আগেই আবারও বিতর্কে সঞ্জয় লীলা ভন্সালীর ছবি ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’।  ছবিটির চলচ্চিত্রায়নের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বিরুদ্ধে  প্রকাশ করেছে স্বয়ং গাঙ্গুবাই পরিবার। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেতে চলেছে সঞ্জয় লীলা বনসালি (Sanjay Leela Bhansali) পরিচালিত গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি।

(চিত্র সংগৃহিত)

মুক্তির আগেই আবারও বিতর্কে সঞ্জয় লীলা ভন্সালীর ছবি ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’। ছবিটির চলচ্চিত্রায়নের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বিরুদ্ধে প্রকাশ করেছে স্বয়ং গাঙ্গুবাই পরিবার। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেতে চলেছে সঞ্জয় লীলা বনসালি (Sanjay Leela Bhansali) পরিচালিত গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি (Gangubai Kathiawadi) । এই ছবিতে (Alia Bhatt) নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন আলিয়া ভাট (Alia Bhatt) । হুসেন জাইদির বই ‘মাফিয়া কুইন্স অফ মুম্বই’ (Mafia Queens of Mumbai) এর একটি অধ্যায় থেকে সংগৃহীত , মুম্বইয়ের পতিতাপল্লী থেকে উঠে আসা গাঙ্গুবাইয়ের মাফিয়া এবং সমাজকর্মী হয়ে ওঠার গল্পই চলচ্চিত্রের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

গাঙ্গুবাই হরজীবনদাস , যিনি 
গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ীনামে পরিচিত
(চিত্র সংগৃহীত)

২০২০ সালে গঙ্গুবাইকে নিয়ে ছবি হচ্ছে জানার পরই আইনি লড়াই শুরু করে গাংগুবাই পরিবার। পরিবারের আইনজীবীর দাবি, “গঙ্গুবাইয়ের পরিবারের সদস্যদের এখন লুকিয়ে বেড়াতে হচ্ছে। এমনকি পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও প্রশ্ন তুলছেন, যে গঙ্গুবাই আদৌ সমাজকর্মী ছিলেন নাকি যৌনকর্মী।” তিনি আরও জানান, গঙ্গুবাইয়ের পরিবারের সদস্যগন মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত । এ নিয়ে ছবির পরিচালক সঞ্জয় লীলা ভন্সালী (Sanjay Leela Bhansali)এবং হুসেন জা়ইদি (Hussain Zaidi) কে আইনি নোটিস পাঠালেও কোনো সুরাহা হয়নি।

২০২১ সালে আদালতের দ্বারস্থ হন গঙ্গুবাইয়ের পালিত পুত্র বাবু রাওজি শাহ। মুম্বইয়ের একটি আদালতের তরফে সমন যায় পরিচালক সঞ্জয় লীলা ভন্সালী এবং আলিয়া ভট্টের কাছে। পরবর্তী কালে বম্বে হাই কোর্ট ছবির মুক্তিতে স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করে। গাঙ্গুবাইয়ের পরিবারের আইনজীবী সংবাদ মাধ্যমে বলেন , “গাঙ্গুবাইকে (Gangubai Kathiawadi) যেভাবে চিত্রিত করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুল এবং ভিত্তিহীন। এটা অশ্লীল। আপনারা একজন সমাজকর্মীকে পতিতা হিসেবে তুলে ধরেছেন। কোন পরিবারই বা এমনটা পছন্দ করবে?গাঙ্গুবাইকে একজন ভ্যাম্প এবং লেডি ডন হিসেবে তৈরি করা হয়েছে “।

গঙ্গুবাইয়ের নাতনি ভারতী বলেন, “ছবির নির্মাতারা টাকার লোভে আমাদের পরিবারকে অপমান করেছেন। এটা কখনওই মেনে নেওয়া যায় না।” তাঁর আরও দাবি, ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’ ছবিটি তৈরির আগে পরিবারের অনুমতি নেওয়া হয়নি। পরিবারের দাবি , এই সিনেমায় গাঙ্গুবাইকে (Gangubai Kathiawadi) সমাজকর্মী হিসেবে না দেখিয়ে যৌনকর্মী হিসেবেই তুলে ধরা হয়েছে। এতেই আপত্তি জানিয়েছে গাঙ্গুবাই পরিবার।

গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ির দত্তক (Gangubai Kathiawadi’s adoptive son) নেওয়া পুত্র বাবুজি শাহ (Baburaoji) অভিযোগ জানিয়ে বলেন, “আমার মাকে যৌনকর্মীর ভূমিকায় দেখানো হয়েছে। লোকজন এখন আমার মা সম্পর্কে নোংরা কথা বলছে।” অনেকেরই অজানা, ২০২১ সালের মার্চ মাসে, বাবুজি শাহ এই সিনেমাটির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। বাবুরাওজির মতে, সিনেমাটিতে এমন দৃশ্য রয়েছে যা গাঙ্গুবাইয়ের খ্যাতিকে হেয় করছে এবং গাঙ্গুবাইকেও নীচু চোখে দেখানো হচ্ছে।

গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি চলচ্চিত্রটির প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন সঞ্জয় লীলা বনসালি। এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন আলিয়া ভাট (গাঙ্গুবাই) , অজয় দেবগন (করিম লালা) , বিজয় রাজ (রাজিয়া বাই) , হুমা কুরেশি (দিলরুবা), শান্তুনু মহেশ্বাড়ী , ইন্দিরা তিওয়ারি , সীমা ভার্গব , বরুন কাপুর , জিম সার্ভ ,

এ এম তুরাজ , কুমার এবং ভোজক অশোক আনজামের কথায় ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সঞ্জয় লীলা বনসালি।

মাফিয়া কুইন্স অফ মুম্বই (চিত্র সংগৃহিত)

সিনেমার গল্পটি হুসেন জাইদির ( Hussain Zaidi )বই ‘মাফিয়া কুইন্স অফ মুম্বই’-এর একটি অধ্যায় থেকে সংগৃহীত। আলিয়া ছাড়াও এই চলচ্চিত্রে দেখা যাবে বিজয় রাজ এবং সীমা পাহওয়াকে। অজয় দেবগনকেও এই সিনেমায় একটি বিশেষ ভূমিকায় দেখা যাবে। গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি মুক্তি পাবে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি।

গাঙ্গুবাই  কাথিয়াওয়ারি ছবি গতবছর জুলাই মাসে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও ছবিটির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ও কোভিড এর দ্বিতীয় তরঙ্গের কারণে এটি স্থগিত করা হয়েছিল ।  এরপরে এটি 6 জানুয়ারী 2022-এ বিশ্বব্যাপী মুক্তির জন্য নির্ধারিত ছিল, কিন্তু এসএস রাজামৌলির ছবির সাথে মুক্তির দিন এড়াতে , দিন পরিবর্তন করে 25 ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই গালা বিভাগে  72 তম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার সম্পন্ছবিটির ট্রেলার 👇👇👇 মুক্তি পেয়েছে।

গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি ট্রেলার (সংগৃহিত)

এশিয়ার প্রাচীনতম সড়কপথ বিস্তৃত কলকাতার বুক চিরে!

মহাভারতে উল্লেখিত ভারতের দীর্ঘতম ও এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন সড়ক বিস্তৃত কলকাতার বুক চিরে ।

মহাভারতে উল্লেখিত ভারতের দীর্ঘতম রাস্তা বিস্তৃত কলকাতার বুক চিরে ।

ভারত (India)তথা এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন এবং দীর্ঘতম প্রধান সড়ক আগে ‘ উত্তরাপথ ‘, ‘সড়ক – ই বাদশাহী সড়ক’ , ‘সড়ক ই – শেরশাহ’ নামে পরিচিত ছিল । ভারতের দীর্ঘতম পথ (Longest road of india) আজও বর্তমান গ্র্যান্ডট্রাঙ্ক রোড (GT Road) নামে । এই সড়ক কলকাতার বুক চিরে কাশ্মীর(kashmir) থেকে কন্যাকুমারী (kanyakumari) পর্যন্ত বিস্তৃত ।

বিগত ২০০০ বছর ধরে এটি মধ্য এশিয়াকে ভারতীয় উপমহাদেশের( Indian Subcontinent) সঙ্গে সংযুক্ত করেছে । এই গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫০০ কিলোমিটার বা ১৬০০ মাইল ।

বাংলাদেশের মায়ানমার সীমান্তের টেকনাফ থেকে পশ্চিমে কাবুল , আফগানিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কপথ। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম এবং ঢাকা , ভারতের কলকাতা , এলাহাবাদ (প্রয়াগরাজ) , দিল্লি এবং অমৃতসরের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত হয়ে পাকিস্তান এর লাহোর , রাওয়ালপিন্ডি ও পেশোয়ারের সঙ্গেও সংযোগসাধন করেছে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ।

প্রাচীন ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের সময় থেকেই এই সড়কের অস্তিত্ব ছিল । এটি গঙ্গার মুখ থেকে সাম্রাজ্যের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে উত্তরাপথ নামক এই প্রাচীন পথ ধরে হাইওয়ে তৈরি করেছিলেন । এই রাস্তার আরও উন্নতি হয়েছিল সম্রাট অশোকের অধীনে । পুরনো রুটটিকে সুরি (Suri), সোনারগাঁও ও রোহতাসের সঙ্গে পুনরায় সংযোগসাধন করা হয়েছিল । মাহমুদ শাহ দুরানির অধীনে তা আরো একবার পুনর্নিৰ্মিত হয় ।

১৮৮০ সালের মধ্যে ব্রিটিশ আমলে রাস্তাটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল । শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড উপরিউক্ত সমস্ত অঞ্চলের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে চলেছে যা উপমহাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজতর করেছে । গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড এখনও বর্তমান ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রধান সড়ক , পরবর্তীতে রাস্তাটির কিছু অংশ প্রশস্ত করে জাতীয় মহাসড়ক (National Highway) ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে । বছরের পর বছর ধরে, এটি একটি প্রধান বাণিজ্য রুট এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পথ হিসাবে কাজ করছে। 

দূরত্ব পরিমাপক ফলক

মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের (Chandragupta Mourya) দ্বারা উত্তরাপথ বিস্তার লাভের আগেও বৌদ্ধ সাহিত্য এবং ভারতীয় মহাকাব্যে উল্লেখ রয়েছে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের । মহাভারতে উত্তরাপথ বা উত্তর রাস্তা বলে উল্লেখ রয়েছে । গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক ভারতের পূর্বাঞ্চলকে(Eastern India) মধ্য এশিয়া এবং প্রাচীন গ্রিসের সঙ্গে সংযুক্ত করেছিল ।

পাকিস্থানে প্রবেশ জিটি রোড ধরে

আধুনিক গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের অগ্রদূত সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে যৌর্য সাম্রাজ্যের সময় | ভারত এবং পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন অংশ বিস্তার লাভ করেছিল । উত্তর – পশ্চিমের শহর তক্ষশীলা এবং পুরুষপুর ( বর্তমান পেশোয়ার ) যা বর্তমানে পাকিস্তানে অবস্থিত , তার পাশ দিয়ে চলে গিয়েছিল এই গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ।

প্রাচীন জিটি রোড(আফগানিস্তান)

তক্ষশীলা মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্যান্য অংশের সঙ্গে সড়কপথে ভালোভাবে যুক্ত ছিল । মৌর্যরা রাজধানী পাটলিপুত্র ( বর্তমান ভারতের পাটনা )থেকে তক্ষশীলার মধ্যে তখন যোগাযোগ রাখত এই পথে ।

আটটি ধাপে নির্মিত এই রাস্তাটি পুরুষপুরা , তক্ষশীলা , হস্তিনাপুর , কান্যকুব্জ , প্রয়াগ , পাটলিপুত্র এবং তাঙলিপ্ত শহরগুলিকে যোগ করেছিল । চন্দ্রগুপ্তের পথটি প্রাচীন উত্তরাপথ বা উত্তর পথের উপর দিয়ে নির্মিত হয়েছিল , বলে পাণিনি উল্লেখ করেছিলেন । সম্রাট অশোক এর আমলে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড বরাবর পান্থশালা – বিশ্রামগৃহ নির্মাণ হয়েছিল ।  তার আদেশে বৃক্ষ রোপণ, প্রতি অর্ধেক ক্রোশে কূপ নির্মাণ করা হয় । সম্রাট কনিষ্কও উত্তরাপথ সংস্কার করেছিলেন ।

উত্তরপ্রদেশে জিটি রোড

মধ্যযুগীয় ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক শুর সাম্রাজ্যের শের শাহ ১৬ শতকে পূর্বতন রাস্তাটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেন । সোনারগাঁও এবং রোহতাসে পুরানো রুটটি সংস্কার করে আবার নতুন করে চালু করা হয় ।

মুঘলদের অধীনে রাস্তার দুই পাশে আরও সরাই খানা নির্মিত হয়েছিল । জাহাঙ্গীর তার শাসনকালে একটি ফরমান জারি করেন যে , সমস্ত সরাই খানা পোড়া ইট ও পাথর দিয়ে তৈরি করা হবে । ফলের গাছ ও ছায়া প্রদানকারী গাছ লাগানো হয়। লাহোর ও আগ্রার মধ্যবর্তী অঞ্চলে চওড়া পাতার গাছ লাগানো হয়েছিল মহাসড়কের ওপরে অবস্থিত সমস্ত জলাশয়ের উপর সেতুও নির্মাণ করেছিলেন ।

১৮৩৩ এবং ১৮৬০- এর দশকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (East India Company)বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক উভয় উদ্দেশ্যে রাস্তাটি পুনঃনির্মাণ করে । তখনই রাস্তাটি গ্ল্যাস্ত ট্রাঙ্ক রোড় নামে পরিচিত হয়।সারা ভারতজুড়ে এই মহাসড়ক বিস্তৃত।

পাকিস্তানে গ্রান্ডট্রাঙ্ক রোড

মধ্য এশিয়া থেকে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে এই গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড । ২০১৫ সালে উত্তরাপথ , বাদশাহী সড়ক , সড়ক – ই – আজম , গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড সমন্বিত শিরোনামে UNESCO র কাছে পাঠানো হয় হেরিটেজ স্বীকৃতি লাভের আশায়।

ঝিলাম নদীর উপর জিটি রোড

গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের বর্তমান বিস্তৃতি : 👇👇👇

রাস্তাটি বাংলাদেশের বর্তমান  ( চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ), (ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ ) , (সিরাজগঞ্জ থেকে নাটোর ) এবং  ( ভারতের পূর্ণিয়ার দিকে নাটোর থেকে রাজশাহী ) এর সাথে মিলে যায় । পূর্ণিয়া থেকে বকখালি )( পূর্ণিয়া থেকে পাটনা )( কলকাতা থেকে আগ্রা ),  (আগ্রা থেকে জলন্ধর হয়ে নতুনদিল্লি,সোনিপথ ,পানিপথ ,আম্বালা এবং লুধিয়ানা ) এবং  ভারতের অমৃতসর পাকিস্তানের লাহোর ওয়াঘা হয়ে ,লাহোর ,গুজরানওয়ালা ,গুজরাট , লালমুসা , ঝিলম , রাওয়ালপিন্ডি , পেশোয়ার এবং খাইবার গিরিপথের দিকেআফগানিস্তানের জালালাবাদ ) পাকিস্তানে এবং  ( তোরখাম – জালালাবাদ থেকে কাবুল ) হয়ে আফগানিস্তানের গজনি পর্যন্ত বিস্তৃত।

চিত্র সমূহ – সংগৃহিত

সদ্য অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া য় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন বাপ্পি লাহিড়ী। কি এই রোগ ? এর উপসর্গ কি ?

ছবি সংগৃহিত

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া য় আক্রান্ত হয়ে চলে গেছেন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত শিল্পী বাপ্পি লাহিড়ী। রোগটি ইতিমধ্যেই গুগল সার্চ এর ট্রেন্ডিং লিস্টে এসে গেছে।বহু মানুষ গুগলে সার্চ করেছেন অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া বিষয়ে। জেনে নেওয়া যাক কি এই রোগ।

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া য় আক্রান্ত হয়ে চলে গেছেন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত শিল্পী বাপ্পি লাহিড়ী। প্রায় এক মাস ধরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পিটিআই’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চিকিৎসক দীপক নামজোশী জানিয়েছেন, “লাহিড়ি ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে এক মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, যা অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (ওএসএ)-এর জন্য সৃষ্ট হয়েছিল। মঙ্গলবার মাঝরাতে তিনি ওএসএ আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রোগটি ইতিমধ্যেই গুগল সার্চ এর ট্রেন্ডিং লিস্টে এসে গেছে।বহু মানুষ গুগলে সার্চ করেছেন অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া বিষয়ে। জেনে নেওয়া যাক কি এই রোগ।

ঘুম সম্পর্কিত শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত রোগই হল অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (Obstructive Sleep Apnea)। এই রোগে যাঁরা আক্রান্ত হন, ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁদের শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। কারণ, ঘুমের সময় তাঁদের শ্বাসপ্রশ্বাস অনিয়মিত হয়ে যায়। তাই দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। চিকিৎসকদের মতে, যাঁরা অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের গলার পেশি সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশি শিথিল হয়। গলার পেশি বেশি শিথিল হওয়ায় শ্বাস নেওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। তার ফলে ঘুমের মধ্যে শ্বাস নিতে সমস্যা তৈরি হয়। মাত্র ১০ সেকেন্ড এই অবস্থা জারি থাকলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

ছবি সংগৃহিত

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগের উপসর্গগুলি কী-কী?

1. এই রোগের প্রধান ও প্রাথমিক লক্ষণ হল সশব্দে নাক ডাকা।

2. ঘুমের মধ্যে হঠাৎ করেই দম বন্ধ হয়ে আসা এবং আচমকা ঘুম ভেঙে যাওয়া।

3. বিশেষজ্ঞদের মতে, ১০ সেকেন্ডের বেশি যদি এমন অবস্থা হয় তাহলে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যেতে পারে।

4. এছাড়াও অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া, ডায়বেটিস , নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা ইত্যাদি দেখা দেয়।

5. এই রোগে আক্রান্ত হলে ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়ে যায়। এছাড়াও ঘুমের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল।

6. এর পাশাপাশি রক্তচাপও বেড়ে যায় অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়াতে আক্রান্ত হলে।

7. মুখ, গলা শুকিয়ে যায়। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথার যন্ত্রণার সমস্যা দেখা দেয়। এর পাশাপাশি লিবিডো কমে যায়।

8. মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন হয় এবং মানসিক উদ্বেগ ও মানসিক চাপ, বিষণ্ণতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

দৈনন্দিন জীবনযাপনেও অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় প্রভাব পড়ে।

  1. দীর্ঘদিন ধরে এই রোগে ভুগলে যৌনচাহিদা কমে
  2. মানসিক অবসাদেও ভোগেন কেউ কেউ
  3. শিশুদের প্রতি অমানবিক আচরণ করতেও দেখা যায় অনেককে
  4. যে কোনও কাজে দক্ষতা হ্রাস পায়

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া রুখতে কী প্রয়োজন?

  1. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে
  2. পর্যাপ্ত ঘুম হওয়া আবশ্যক
  3. ইতিবাচক ভাবনাচিন্তা করতে হবে
  4. খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে
  5. মদ ও তামাক বর্জন করতে হবে
  6. পরিমিত আহার ও ব্যায়াম করা
  7. রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে
  8. বিশেষ সি-প্যাপ মাস্ক পড়ে শোওয়া,যাতে শরীরে বেশি অক্সিজেন যায়।
সি প্যাপ মাস্ক ( ছবি সংগৃহিত )

গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, বার্ধক্য, শ্বাসনালীর সমস্যা এই রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর আশঙ্কা সাধারণ মানুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

Indian Coast Guard has invited applications for recruitment of Foreman

Indian Coast Guard ( ICG) has invited applications for recruitment to the post of Foreman of Stores, General Central Service, Group ‘B’, Non- Gazetted, Non-Ministerial Posts under Pay Scale 6.

Indian Coast Guard or ICG has invited applications for recruitment to the post of Foreman of Stores, General Central Service, Group ‘B’, Non- Gazetted, Non-Ministerial Posts under Pay Scale 6. Candidates who are interested in this job can apply as per the prescribed format on or before 14th March 2022.

  1. Starting Date of Coast Guard Foreman Application – February 12, 2022.
  2. Last date for submission of Coast Guard Foreman Application – March 14, 2022.

Vacancy Details

Total Posts – 11

  1. UR – 3
  2. EWS – 1
  3. OBC – 3
  4. SC – 3
  5. ST – 1

Indian Coast Guard FOREMAN Salary :

Selected candidates will receive a pay scale between Rs 35,400 – Rs 1,12,400.

Eligibility Criteria for Foreman Recruitment  

Educational Qualification:

  1. The applicant should have a Master Degree with Economics or Commerce or Statistics or Business Studies or Public Administration from recognzied university or institute and 1-Year experience OR
  2. Graduation in Economics or Commerce or Statistics or Business Studies or Public Administration from recognized university or institute/Diploma in Material Management or Warehousing Management or Purchasing or Logistics Public Procurement from recognzied university or institute and 2 years or experience.

The age limit for candidates : 30 years.

Selection Process :

The selection of the candidates will be done on the basis of Scrutiny of Application, Document Verification, Written Exam.

Process of applying :

Eligible and interested applicants can send the duly filled application form to the address “The Director General {for PD Rectt}, Coast Guard Headquarter, Directorate of Recruitment, C-1, Phase-II, Industrial Area, Sector-62, Noida, UP-201309“ on or before 14th March 2022.

Official notification for the recruitment :

Official website of ICG : https://joinindiancoastguard.gov.in/https://joinindiancoastguard.gov.in/

প্রয়াত সুরকার ও সংগীত শিল্পী বাপ্পি লাহিড়ী

সঙ্গীত জগতে নক্ষত্রপতন। প্রয়াত প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী বাপ্পি লাহিড়ি (Bappi Lahiri)। বেশ কিছুদিন ধরেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। বুধবার সকালে ৬৯ বছর বয়সে মৃত্যু হয় তার। গত বছর তিনি কোভিড আক্রান্ত হয়েছিলেন। মঙ্গলবার তার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়।  এরপরেই তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়। একাধিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা ছিল তাঁর। মধ্যরাতের কিছু আগে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া য় আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন ডিস্কো সম্রাট।

প্রয়াত গীতশ্রী

১৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধে ৭.৩০ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। 

সেন্ট ভ্যালেন্টাইন এর মৃত্যু দিনেই পালিত ভ্যালেন্টাইন’স ডে !

ইতিহাসে একটি চরম দুঃখজনক দিন 14 ফেব্রুয়ারি। এই দিনেই ফাসিকাঠ (Gallowses) এ ঝোলানো হয়েছিল সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কে। কিন্তু কেন?

১৪ ই ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন’স ডে (Valentines Day)বা বিশ্ব ভালোবাসা দিবস । দিনটির সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। আজকের প্রজন্মের কাছে এই দিনটি প্রেমিক প্রেমিকা পরস্পরের প্রতি ভালবাসা নিবেদনের দিন। কিন্তু কেন এই দিনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছে ভ্যালেন্টাইন’স ডে হিসাবে?

সময়টা ২৬৯ খ্রিস্টাব্দের গোড়ার দিক। সেই সময় পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ ও শক্তিশালী সাম্রাজ্য ছিল রোম (Rome) । সেটা ছিল রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লোরিয়াস ( Clorious II)এর শাসনকাল।

রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লোরিয়াস

এই ক্লোরিয়াস ছিলেন চরম অত্যাচারী ও নিষ্ঠুর প্রকৃতির । চরম সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতার দ্বারা তিনি রোমান সাম্রাজ্যের বহুল বিস্তার ঘটান। একবার তিনি তার গুপ্তচর বাহিনী কে কাজে লাগিয়ে জানতে পারেন, তার সাম্রাজ্যের অবিবাহিত পুরুষরা , বিবাহিত পুরুষদের চেয়ে অধিক শক্তিশালী । এরপর ক্লোরিয়াস এমন এক নির্দেশ জারি করেন যাতে গোটা সাম্রাজ্যের মানুষ বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায়। ক্লোরিয়াস ঘোষণা করেন, এরপর থেকে তার সাম্রাজ্যের কোনো যুবক বিবাহ করতে পারবে না।

এই নিষ্ঠুর অমানবিক ঘোষণার অন্যতম কারণ ছিল , ক্লোরিয়াস এক বিশাল সাম্রাজ্যের অধিস্বর ছিলেন। এই সুবৃহৎ সাম্রাজ্যের শাসনকাজ মসৃণ ভাবে পরিচালনা ও নতুন নতুন অঞ্চল দখলের জন্য সুবিশাল সেনাবাহিনীর প্রয়োজন ছিল। আর সেই জন্যই তিনি তার সাম্রাজ্যের যুবকদের বিবাহ বন্ধ করে দেন ,যাতে অবিবাহিত শক্তিশালী যুবকদের নিয়ে দক্ষ সেনাবাহিনী গঠন করা যায়।

সাধারণ মানুষ শাসকের ভয়ে এই আদেশের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে না পারলেও , রুখে দাঁড়ান এক খ্রিষ্টান পাদ্রী (Ecclesiast) , যার নাম সেন্ট ভ্যালেন্টাইন (Saint Valentine)

সেন্ট ভ্যালেন্টাইন

ভ্যালেন্টাইন রাজ আদেশ অমান্য করে যুবকদের বিবাহে উৎসাহিত করতে থাকেন। ফলস্বরূপ তিনি রাজ রোষে পড়েন।

ভ্যালেন্টাইন এর কাজকর্মের কথা ক্লোরিয়াস এর কানে পৌঁছনো মাত্র তিনি ভ্যালেন্টাইনকে কারারুদ্ধ করেন। ঘটনাচক্রে , ভ্যালেন্টাইন যে কারাগারে আটক ছিলেন , তার প্রধান কারারক্ষীর একটি অন্ধ মেয়ে ছিল। কারারক্ষী তার মেয়ের অন্ধত্বের কথা পাদ্রী ভ্যালেন্টাইন কে জানিয়ে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে বলেন , যাতে তার মেয়ে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়।

কারারক্ষীর অনুরোধে ভ্যালেন্টাইন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানান। কাকতলীয় ভাবে কারারক্ষীর মেয়েটি তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। দৃষ্টি শক্তি ফিরে আসার পর মেয়েটি কারাগারে ভ্যালেন্টাইন এর সঙ্গে দেখা করেন । আর প্রথম দেখাতেই তাদের একে অপরকে ভালো লেগে যায়। পরবর্তীতে ভ্যালেন্টাইন মেয়েটিকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।

এই খবর রাজা ক্লোরিয়াস এর কাছে পৌঁছতেই তিনি ভ্যালেন্টাইন কে সতর্ক করে বিবাহের প্রস্তাব ফিরিয়ে নিতে বলেন। কিন্তু ভ্যালেন্টাইন রাজ আদেশ অমান্য করলে ক্লোরিয়াস তাকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেন।

ফাঁসির আদেশ শোনার পর ভ্যালেন্টাইন তার প্রেমিকাকে এক পত্র লেখেন। পত্রের শুরুতে উপরে তিনি লেখেন “from your valentine

২৬৯ খ্রিস্টাব্দের আজকের দিনে অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি ফাঁসি হয়ে যায় পাদ্রী সেন্ট ভ্যালেন্টাইন এর। তার অপরাধ ছিল শুধু মাত্র রাজার অযৌক্তিক আদেশ অমান্য করে ভালবাসার মানুষটিকে বিবাহের প্রস্তাব দেওয়া।

তার পর থেকেই ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি সেন্ট ভ্যালেন্টাইন এর স্মরণে ভ্যালেন্টাইন’স ডে হিসেবে পালিত হয় বিশ্বে। পঞ্চম শতাব্দীর শেষের দিকে পোপ গেলাসিয়াস ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি পোপ গেলাসিয়াস ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে ঘোষণা করেন ।তবে প্রথম দিকে এটি সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কে সম্মান জানাতে একটি খ্রিষ্টধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল, পরবর্তীতে লোক ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় দিনটি বিভিন্ন দেশে  প্রেম ও ভালোবাসার  আনুষ্ঠানিক দিবসে পরিণত হয়।

তবে কাহিনী যাই হোক না কেন , ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট দিন হয় না । প্রতিটি দিনই , প্রতিটি মানুষের কাছে বিভিন্ন অর্থে ভালোবাসার দিন

শেষ হল 2022 TATA IPL এর নিলামপর্ব, KKR দলে কোন ক্রিকেটাররা এলেন ?

IPL 2022 এর নিলাম পর্বে সবার নজর ছিল কিং খানের কলকাতা নাইট রাইডার্সের (kolkata Knight Riders )দিকে। নিলামে শাহরুখ খান উপস্থিত না থাকলেও তার পুত্র আরিয়ান এবং কন্যা সুহানা উপস্থিত ছিলেন। গতবছর দুবাই তে অনুষ্ঠিত IPL এর দ্বিতীয় পর্বে ইংরেজ ক্রিকেটার ইয়ন মর্গ্যান (Eyon Morgan) এর নেতৃত্বে দুরন্তভাবে ফিরে আসে KKR, কিন্তু ফাইনালে চেন্নাইয়ের (CSK) কাছে সাতাশ রানে হেরে যায়। এবার কলকাতা সেই মর্গ্যানকে ছেড়ে দিয়েছে।

নিয়মানুযায়ী যে চারজন ক্রিকেটারকে কলকাতা রেখে দিয়েছে, তারা হলেন – আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন, ভরুন চক্রবর্তী এবং ভেঙ্কটেশ আইয়ার । কলকাতা নাইট রাইডার্স IPL জিতেছিল 2012 এবং 2014 সালে। 2022 IPL এ যোগ দিয়েছে আরো দুটি দল – লক্ষ্ণৌ সুপার্যাযান্ট এবং গুজরাট টাইটান্স।

এবার দেখে নেওয়া যাক 12 ও13 ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত TATA IPL 2022 এর নিলাম থেকে কাদের কিনে নিল KKR…

প্যাট কামিন্স (Pat Cummins) – Rs 7.25 Crore

শ্রেয়াস আইয়ার (Shreyas Iyer) – Rs 12.25 Crore

নীতিশ রানা (Nitish Rana) – Rs 8 Crore

শিবম মাভি (Shivam Mavi )– Rs 7.25 Crore

শেলডন জ্যাকসন (Sheldon Jackson) – Rs 60 Lakhs

অজিঙ্কা রাহানে (Ajinkya Rahane) – Rs 1 Crore

রিঙ্কু সিং (Rinku Singh) – Rs 55 Lakh

অনুকূল রায় (Anukul Roy ) – Rs 20 Lakh

রশিখ সালাম দার (Rasikh Salam Dar )– Rs 20 Lakh

চামিকা করুনারত্নে (Chamika Karunaratne) – Rs 50 Lakh

বাবা ইন্দ্রজিৎ (Baba Indrajith) – Rs 20 Lakh

অভিজিৎ তোমার (Abhijeet Tomar) – Rs 40 Lakh

প্রথম সিং (Pratham Singh )– Rs 20 Lakh

ঋত্বিক চ্যাটার্জি (Writtick Chatterjee )– Rs 20 Lakh

অশোক শৰ্মা (Ashok Sharma) – Rs 55 Lakh

স্যাম বিলিংস (Sam Billings) – Rs 2 Crore

আলেক্স হালেস (Alex Hales) –  Rs 1.5 Crore

মোহাম্মদ নবী (Mohammad Nabi )–  Rs 1 Crore

উমেশ যাদব (Umesh Yadav )–  Rs 2 Crore

আমান খান (Aman Khan )–  Rs 20 Lakh

টিম সাউদি (Tim Southee)  – Rs 1.5 Crore

রমেশ কুমার (Ramesh Kumar) – Rs 20 Lakh

নিলামে এখনো পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম পেলেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার

শুরু হয়েছে আইপিএল নিলামের কার্যক্রম। আজ (১২ ফেব্রুয়ারি) শুরু হওয়া নিলামে এখন পর্যন্ত সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হয়েছেন ভারতের ঈশান কিষান

ঈশান কিষান (ছবি সংগৃহিত)

১৫ কোটি ২৫ লক্ষে ঈশান কিষান যোগ দিলেন মুম্বইয়ে। ২ কোটি টাকার বেস প্রাইসের ইশান কিষানের জন্য দর হাঁকে মুম্বই। লড়াইয়ে যোগ দেয় পঞ্জাব কিংস। এই প্রথম কোনও ক্রিকেটারের জন্য নিলামে ১০ কোটি টাকার বেশি দর হাঁকে মুম্বই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ শেষ মুহূর্তে দর হাঁকে। শেষ পর্যন্ত ১৫ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায় মুম্বই দলে নেয় ইশানকে। আইপিএল নিলামের ইতিহাসে ভারতের সব থেকে দামি উইকেটকিপার হলেন ইশান। 

শ্রেয়াস আইয়ার (ছবি সংগৃহিত)

রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছেন ভারতের শ্রেয়াস আইয়ার (Shreyas Aiyar)। কলকাতা নাইট রাইডার্স (kolkata knight rider’s) আইয়ারকে কিনে নিয়েছে ১২ কোটি ২৫ লাখ টাকায় ।

এছাড়াও কাগিসো রাবাদাকে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব কিনেছে ৯ কোটি ২৫ লাখ টাকায়। এ ছাড়াও বিক্রি হয়েছেন শিখর ধাওয়ান, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, প্যাট কামিন্স, ট্রেন্ট বোল্ট, মোহাম্মদ শামি ও ফাফ ডু প্লেসি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক জেসন হোল্ডারকে ৮ কোটি ৭৫ লাখে কিনেছে এবারের IPL এর নতুন দল লক্ষ্ণৌ সুপারজায়ান্টস (Lucknow SuperGiant)। এছাড়া নিতিশ রানাকে ৮ কোটি টাকায় আবারও কিনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এছাড়া ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ডোয়াইন ব্রাভোকে পুনরায় কিনেছে চেন্নাই সুপার কিংস (Chennai Super Kings)।

গত বছর ডিসেম্বর মাসে আইপিএল রিটেনশনের অনুষ্ঠান হয়েছিল। ১৫ কোটি টাকা দিয়ে বিরাট কোহলিকে ধরে রাখে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এছাড়া গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে ১১ কোটি এবং মহম্মদ সিরাজকে ৭ কোটি টাকা দিয়ে ধরে রাখে দল।

একই ভাবে এমএস ধোনিকে ১২ কোটি টাকা দিয়ে ও রোহিত শর্মাকে ১৬ কোটি টাকা দিয়ে ধরে রাখে যথাক্রমে চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। 

এদিকে শনিবার নিলাম চলাকালীন হঠাৎ করেই দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থা থেকে মাটিতে পড়ে যান সঞ্চালক হিউ এডমেডেস (Hugh Edmeades)। সেই সময় শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসরঙ্গর নিলাম চলছিল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ১০ কোটি ৭৫ লক্ষ দাম হেঁকেছিল তাঁর জন্য। সেই অবস্থাতেই সংজ্ঞা হারান হিউ।

হিউ এডমেডেস (ছবি সংগৃহিত)

কী হয়েছিল হিউয়ের? ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে জানানো হল, তাঁর পস্টিউরাল হাইপোটেনশন হয়েছিল। যাঁর অর্থ, এক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর অবস্থান বদলাতেই আচমকা তাঁর রক্তচাপের হেরফের হয়। ফলে তিনি ভারসাম্য হারান। আপাতত তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড থেকে জানানো হয়েছে, হিউয়ের অবস্থা স্থিতিশীল।

অসুস্থ হিউজ এডমেডসের পরিবর্তে বাকি অংশ সঞ্চালনা করছেন চারু শর্মা( Charu Sharma)।

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে গুনতে হবে টাকা

এবার হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে গুনতে হবে বাড়তি টাকা। এতদিন বিনামূল্যে চ্যাট ব্যাকআপ থাকলেও সেই সুবিধাটি আর থাকছে না। এমনটিই জানা যাচ্ছে বিভিন্ন রিপোর্টে। WHATSAPP NEW UPDATE

হোয়াটসঅ্যাপ বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয় একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। চ্যাটিং সুবিধার জন্য বেশিরভাগই বেছে নেন হোয়াটসঅ্যাপকে। গ্রাহকদের সুবিধার্থে সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে তাই নিজেদের ফিচারেরও পরিবর্তন ঘটিয়েছে অনলাইন এই যোগাযোগমাধ্যমটি। তবে এবার অ্যাপটি ব্যবহারে গুনতে হবে বাড়তি টাকা। এতদিন বিনামূল্যে চ্যাট ব্যাকআপ থাকলেও সেই সুবিধাটি আর থাকছে না। এমনটিই জান যাচ্ছে বিভিন্ন রিপোর্টে।

সাধারণত জিমেইল ব্যবহারকারীদের জন্য ১৫ জিবি করে ফ্রি ক্লাউড স্টোরেজ দেওয়া থাকে। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ব্যাকআপের জন্য যে ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহার করা হয় তা আলাদা। এর সঙ্গে জিমেইলের জন্য দেওয়া ফ্রি ১৫ জিবি ক্লাউড স্টোরেজের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে আগামীতে এই সুবিধা আর পাওয়া যাবে না।

রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথমে কিছু ফ্রি স্টোরেজ দেওয়া হবে। ওই স্টোরেজ শেষ হওয়ার পর কিনতে হবে অতিরিক্ত স্টোরেজ। স্টোরেজ পূর্ণ হওয়ার পর ব্যবহারকারীর কাছে একটি নোটিফিকেশন আসবে। যেখানে লেখা থাকবে, ওই ব্যবহারকারীর স্টোরেজ শেষের দিকে। তাই তাকে অতিরিক্ত স্টোরেজ কিনতে হবে। যেটি নিয়ে এরইমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে সাইটটি।

আগামী দিনে গেরুয়া ধ্বজাই হবে দেশের জাতীয় পতাকা! ঘোষণা বিজেপি মন্ত্রীর

Karnataka Hijab Row: কর্ণাটকে হিজাব বিতর্কের মধ্যেই সামনে এসেছে কলেজের ফটকে জাতীয় পতাকা খুলে গেরুয়া পতাকা ঝুলিয়ে দেওয়ার নজির।

Karnataka Hijab Row: তেরঙ্গা নয়, আগামী দিনে গেরুয়া ধ্বজাই হবে দেশের জাতীয় পতাকা, ঘোষণা বিজেপি মন্ত্রীর
চিত্ৰ সৌজন্যে – এবিপি আনন্দ

কর্ণাটকের স্কুলে পড়ুয়াদের হিজাব পরা (Karnataka Hijab Row) নিষিদ্ধ করা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। হিজাব বিতর্কের জেরে হওয়া বিক্ষোভের মধ্যেই দিন দু’য়েক আগে কর্ণাটকের একটি কলেজে জাতীয় পতাকা (National Flag) নামিয়ে গেরুয়া নিশান উড়িয়ে দিয়েছিল কিছু হিন্দুত্ববাদী পড়ুয়া। যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয় দেশজুড়ে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই সেরাজ্যের স্কুল-কলেজগুলি দিন তিনেকের জন্য বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। তার মধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন কর্নাটকে গ্রামীণ উন্নয়ন এবং পঞ্চায়েত মন্ত্রী কে এস ঈশ্বরাপ্পা (KS Eshwarappa)। কে এস ঈশ্বরাপ্পার বিস্ফোরক দাবি, একদিন তেরঙ্গার (Indian Tricolour) বদলে ‘গেরুয়া ঝান্ডাই’  (Saffron Flag) দেশের জাতীয় পতাকা (Indian National Flag) হিসেবে গন্য হবে। 

মুসলিম মেয়েদের হিজাব পরে স্কুল-কলেজে আসা নিয়ে অশান্তিতে ফুটছে কর্নাটক। রাজ্যের একাধিক জায়গায় শিক্ষাকেন্দ্রের ভিতরেই বিভাজন ঘটেছে পড়ুয়াদের মধ্যে। হিজাব নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে যখন এক দল প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, সেই সময় তাঁদের সামনে কলেজের ফটকে গেরুয়া পতাকা ঝুলিয়ে দেওয়ার নজিরও সামনে এসেছে।

গেরুয়া ঝান্ডা ওড়াচ্ছে এক ব্যক্তি

সেই নিয়ে বুধবার রাজ্যের বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন কংগ্রেস নেতা ডিকে শিবকুমার। কলেজের ফটকে গেরুয়া পতাকা ঝোলানোয় তীব্র আপত্তি জানান তিনি। তিনি আরো দাবি করেন যে কংগ্রেসই পুনরায় জাতীয় পতাকা তুলে দেন গেরুয়া ঝান্ডা নামিয়ে । সেই বিষয়ে প্রশ্ন করলে ঈশ্বরাপ্পা বলেন, ‘‘আজ দেশে হিন্দুত্ব এবং হিন্দু বিচারধারা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অযোধ্যায় রাম মন্দির গড়া হবে বললে একসময় মানুষ হাসতেন। এখন সেখানে আকাশচুম্বী রাম মন্দির নির্মাণ কাজ চলছে।  একই ভাবে, আগামী দিনে হয়তো এখনই নয় , কিন্তু আজ থেকে ১০০-২০০ বা ৫০০ বছর পরে গেরুয়া ধ্বজাই দেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে গন্য হবে।’’ 

ঈশ্বরাপ্পা আরও বলেন, “কয়েক শত আগে ভগবান রামচন্দ্র এবং মারুতির রথেও গেরুয়া ধ্বজা উড়ত। তখন কি দেশে তেরঙ্গা ছিল? এখন তেরঙ্গাকে জাতীয় পতাকা হিসেবে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। সাংবিধানিক ভাবে অবশ্যই তেরঙ্গাকে সম্মান জানানো উচিত। এ নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ নেই। কিন্তু আমরা গেরুয়া পতাকাও উত্তোলন করি। ভবিষ্যতে হিন্দুধর্ম দেশের সর্বত্র প্রতিষ্ঠা পেলে, লালকেল্লায় গেরুয়া ধ্বজা ওড়াব আমরা।”

যদিও পরে ঈশ্বরাপ্পা বলেছেন, “সংবিধান যেহেতু তেরঙ্গাকেই জাতীয় পতাকার সম্মান দিয়েছে, তাই সকলের সেটাকে সম্মান করা উচিৎ, যারা করবে না তারা দেশদ্রোহী।” বিজেপি নেতার এই মন্তব্য স্বভাবতই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি যে দেশকে হিন্দু রাষ্ট্র (Hindu Rastra) করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে, সেটা এই মন্তব্যেই স্পষ্ট দাবি করছেন বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই কর্ণাটকের কলেজে জাতীয় পতাকার বদলে গেরুয়া নিশান ওড়ার বিষয়টি সংসদে তুলেছে কংগ্রেস। এই বিষয়ে আলোচনার দাবিতে সংসদে মুলতবি প্রস্তাব দিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ মাণিকম ঠাকুর। সমালোচনার মুখে পড়ে ঈশ্বরাপ্পার এই মন্তব্য নিয়ে বিজেপি-র তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি ।

স্কুলে নেই জল,১৫০ মিটার দূরে ছুটছে ছাত্রছাত্রীরা! রইলো ভিডিও

বেলপাহারির তুলসিবনী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিদ্যালয়ে নেই কোনো পানীয় জলের ব্যবস্থা। ইতিমধ্যেই সরকারি নির্দেশে পঠন পাঠন এর পাশাপাশি শুরু হয়েছে মিড ডে মিল । তাই রান্না করা খাবার দেওয়া হচ্ছে স্কুলে। কিন্তু স্কুলে কোনো পানীয় জলের ব্যবস্থা না থাকায় রান্নার জল আনতে হচ্ছে অনেক দূর থেকে।এমনকি পড়ুয়া দের ও খাবার খাওয়ার আগে পরে থালা ,হাত ধুতে যেতে হচ্ছে ১৫০ মিটার দূরে এক জলাশয়ে।

দেখে নিতে পারেন নীচের ভিডিও টি।

ভিডিও সৌজন্যে-white politics

কাশ্মীর থেকে বেজিং!শীতকালীন অলিম্পিক (Winter Olimpic)এ ভারতের একমাত্র প্রতিনিধি কাশ্মীরের আরিফ খান(Arif Khan)

আরিফ খান (Arif Khan)। কোনো সহ-খেলোয়াড় নেই তাঁর। ভারতের পতাকা হাতে  তিনি একাই প্রতিনিধিত্ব করছেন তার মাতৃভূমির। ক্রীড়াক্ষেত্রের দিক থেকেই হোক কিংবা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে— বেজিং অলিম্পিক গেমসে ভারতের একমাত্র প্রতিযোগী তিনি।

জাতীয় পতাকা হাতে আরিফ খান

চলছে বেজিং (beijing)শীতকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সেজে উঠেছে বেজিং-এর দ্য বার্ডস নেস্ট স্টেডিয়াম (The Birds Nest Stadium)। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মার্চপাস্ট এ অংশ নেয় ৮৪টি দল। তার মধ্যেই আরিফ খানের নেতৃত্বে চারজনের ছোট্ট ভারতীয় দল ২২টি দেশের পর ২৩তম দেশ হিসেবে তেরঙ্গা হাতে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে । ৮৪ দেশের বড় ভিড়ের মধ্যে তাঁকে দলছুট মনে হওয়াই স্বাভাবিক। তিনি আরিফ খান (Arif Khan)। না, কোনো সহ-খেলোয়াড় বা সহ-প্রতিনিধি নেই তাঁর। ভারতের পতাকা হাতে তিনি একাই প্রতিনিধিত্ব করছেন তার মাতৃভূমির। ক্রীড়াক্ষেত্রের দিক থেকেই হোক কিংবা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে— বেজিং অলিম্পিক গেমসে ভারতের একমাত্র প্রতিযোগী তিনি। অলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় স্কিয়ারও বটে। বলতে গেলে একক প্রচেষ্টাতেই তিনি ভারতকে তুলে এনেছেন উইন্টার অলিম্পিকের (Winter Olympics) মঞ্চে।

হ্যাঁ, একক প্রচেষ্টাতেই। কারণ, জাতীয় ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানগুলির থেকে সেই অর্থে কোনো সাহায্যই পাননি তিনি। কাজেই বলার অপেক্ষা থাকে না, এই লড়াই খুব সহজ ছিল না তাঁর কাছে। 

The birds nest stadium , Beijing , Chaina

আগামী ১৩ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি স্কিইং বিভাগের স্লালম ও জায়ান্ট স্লালম ইভেন্টে জম্বু কাশ্মীরে র বাসিন্দা আরিফ। এই প্রথম শীতকালীন অলিম্পিকের একটি আসরে একজন ভারতীয় প্রতিযোগী দুটি ইভেন্টে অংশ নিতে চলেছেন।

আরিফ খান

কাশ্মীরের গুলমার্গের এক দরিদ্র পরিবারে বড়ো হয়ে ওঠা আরিফের। বাবা ছিলেন স্কিইং গাইড। শীত পড়লেই গুলমার্গ ঢেকে যায় শ্বেতশুভ্র বরফের চাদরে। আর এই মনোরম পরিবেশে শখের স্কিইং ও স্কেটিং করতে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। এই সময়টার ওপরেই নির্ভর করে থাকে আরিফের পরিবার। তাছাড়া একটা ছোটো স্কিইং সামগ্রী বিক্রির দোকান আছে বটে। তবে সারাবছর তাতে বিক্রি হয় না বললেই চলে। 

আরিফ বলছেন, ”আমার স্বপ্ন অবশেষে সত্যি হয়েছে। যে স্বপ্নের পিছনে আমি এতদিন ধাওয়া করে এসেছি, সেটাই সফল হয়েছে। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আমার বাবা আমাকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই স্বপ্নও সত্যি হয়েছে।” বেজিংয়ে রওনা হওয়ার আগে গুলমার্গে গিয়েছিলেন আরিফ। এখান থেকেই তো শুরু হয়েছিল তাঁর অভিযান। দিল্লির বিমানে ওঠার আগে গুলমার্গের মানুষজনের আশীর্বাদ নিয়েছেন আরিফ। তিনি তার এই লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে বলেন, “খুব সহজ কাজ ছিল না। আমাকে কঠিন লড়াই করতে হয়েছে। ১৯৯৪ সালে আমি স্কি শুরু করেছিলাম। ২০০৮ থেকে পেশাদার স্কি-তে আমি।” সরকারের ভূমিকার কথা প্রশংসা করেছেন আরিফ। তিনি বলছেন,”সরকারের কাছ থেকে আমি খুব সাহায্য পেয়েছিলাম। মনে হয়েছিল খেলাটাকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিল সরকার। আমাকে সবধরনের সাহায্য করেছিল।” আরিফ আরও বলেন, “গুলমার্গ (gulmarg)পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর জায়গা। এখানে স্কি করার সুযোগ সুবিধা রয়েছে। সারা পৃথিবীর আকর্ষণও রয়েছে গুলমার্গের প্রতি। গুলমার্গ, কাশ্মীর এবং দেশকে গর্বিত করার চেষ্টা করব। ১৪০ কোটি মানুষের প্রতিনিধি হয়ে যাচ্ছি আমি। চেষ্টা করবো যাতে সম্মান হানি না হয়।”

২৩ বছর বয়সী আরিফের মাত্র চার বছর বয়সে বাবার কাছেই স্কিইং-এ হাতেখড়ি । তারপর ধীরে ধীরে প্রবেশ করা পেশাদার খেলার জগতে। প্রথম কোনো বড়ো সাফল্য মেলে ২০০৫ সালে। ১২ বছর বয়সে জাতীয় মিটে (National Meet)সোনা আনেন আরিফ। আরও চার বছর পর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় আত্মপ্রকাশ। 2011 সালে দক্ষিণ এশিয় শীতকালীন গেমসে স্কিইং বিভাগের স্লালম ও জায়ান্ট স্লালম ইভেন্টে জোড়া সোনার পদক জয় করেন আরিফ । রাজনৈতিক সংকটে দগ্ধ কাশ্মীরের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে অনুশীলনের অসুবিধা তো ছিলই। শীতকালের সময়টুকুই শুধু বরফ পেতেন আরিফ। বাকি সময়টায় প্রশিক্ষণ নেওয়া কিংবা অনুশীলনের সুযোগ ছিল না বললেই চলে। 

তবে আজ থেকে আড়াই দশক আগেও এমন পরিস্থিতি ছিল না ভারতে। উইন্টার গেমসের জন্য ছিল বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। ১৯৯৮ সালে শীতকালীন সমস্ত খেলাকে অগ্রাধিকারের তালিকা থেকে বাতিল করে ভারত সরকার। তারপর আর নতুন করে পুনর্স্থাপিত হয়নি শীতপ্রধান খেলাধুলোর ফেডারেশন। ফলে, ভারতের শীতকালীন খেলায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের পরিমাণও এসে ঠেকে তলানিতে। 

১৯৬৪ সাল থেকে বিভিন্ন শীতকালীন অলিম্পিকে ভারত অংশ নিয়েছে। ভারতের প্রথম অলিম্পিক ১৯২০ সালে। সেই ভারতীয় অলিম্পিক দলে ছিলেন দুজন কুস্তিগির, দুজন অ্যাথলেট  একজন ম্যানেজার। চার খেলোয়াড়ের মধ্যে ফাদেপ্পা দারেপ্পা চাউগুলে ম্যারাথনে তার ইভেন্ট সম্পূর্ণ করেন। তিনি ২ ঘণ্টা ৫০ মিনিট ৪৫.৪ সেকেন্ডে ৪২.৭৫০ কিলোমিটার দৌড়ে ১৯তম স্থান অধিকার করেছিলেন।

২০১৮ সালেই অলিম্পিকে খেলার সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল আরিফের কাছে। উইন্টার অলিম্পিকে অংশ নিতে গেলে, যোগ্যতা অর্জন করতে হয় পাঁচটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়। তার মধ্যে চারটি বাধাই অতিক্রম করে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পঞ্চমটি আর সম্ভব হয়নি অর্থের অভাবে। প্রতিযোগীর তালিকাতে তাঁর নাম থাকলেও, অর্থের অভাবে বিদেশভ্রমণ করতে পারেননি তিনি। 

চলতি অলিম্পিকে অংশগ্রহণের আগেও সেই একই প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল আরিফকে। ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক স্কি ফেডারেশন (International Ski Federation)ভারতের স্কি ও স্নোবোর্ডের খেলোয়াড় সংগঠনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিলেও বদলায়নি পরিস্থিতি। ক্রাউড ফান্ডিং-এর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেই বিদেশে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হয়েছে তাঁকে। সমস্ত সঞ্চয় খুইয়ে দিনের পর দিন অনুশীলন করতে হয়েছে দুবাইয়ের কৃত্রিম স্কিইং গ্রাউন্ডে। আরিফের অভিমত, অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন করা, দেশের হয়ে অলিম্পিকের মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করাই তাঁর কেরিয়ারের শ্রেষ্ঠ সাফল্য। আমেরিকা, জাপান, তুরস্ক, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে , লেবানন, অস্ট্রিয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন আরিফ। ১২৭টি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে অংশ নেন তিনি। এবার গোটা দেশের চোখ তাঁর দিকে। লক্ষ্য একটাই – দেশকে গর্বিত করা এবং বেজিং থেকে সোনা জেতা।  তবে জয় কি আসবে? উত্তর দেবে সময়ই। আর আরিফের এই লড়াই হাজার হাজার কাশ্মিরী তরুণের কাছে অনুপ্রেরণা। তাঁর দিকে তাকিয়েই স্বপ্ন বুনছে গোটা দেশ। তার হাত ধরেই হয়তো দ্য বার্ডস নেস্ট স্টেডিয়ামে বেজে উঠবে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত

Unknown Information

জানতে হলে থাকতে হবে আমাদের সঙ্গে